বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ৮-৯ মাস ধরে বেতন বাকি,'সংসারের খরচ টানতে পারছি না' নিরাপত্তারক্ষীদের বিক্ষোভ
কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে সুপারকে ঘিরে নিরাপত্তা রক্ষীদের বিক্ষোভ। নিজস্ব ছবি।
কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে সুপারকে ঘিরে নিরাপত্তা রক্ষীদের বিক্ষোভ। নিজস্ব ছবি।

৮-৯ মাস ধরে বেতন বাকি,'সংসারের খরচ টানতে পারছি না' নিরাপত্তারক্ষীদের বিক্ষোভ

  • জেলাশাসক থেকে শুরু করে জেলা স্বাস্থ্য দফতরে এবং হাসপাতালের সুপারের কাছে লিখিতভাবে তারা এ বিষয়ে জানিয়েও ছিলেন।

কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেও নির্বিঘ্নে কাজ করে গিয়েছেন হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীরা। এখন নতুন করে আবার কোভিড ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এখনও তারা হাসপাতালের নিরাপত্তা প্রদান করে যাচ্ছেন। কিন্তু, তারপরেও মিলছেনা বেতন। দীর্ঘ আট মাস ধরে বেতন না পেয়ে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীদের আর্থিক অবস্থা দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় বকেয়া বেতন মেটানোর দাবিতে নিজেদের গলায় দড়ি পড়ে নদীয়ার কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালের সুপারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীরা।

তাদের বক্তব্য কোভিড পরিস্থিতির বাড়বাড়ন্তের মধ্যেও তারা হাসপাতালের নিরাপত্তা প্রদানের জন্য পরিষেবা দিয়ে গিয়েছেন। এর আগেও তারা বেতনের দাবি জানিয়েছিলেন। জেলাশাসক থেকে শুরু করে জেলা স্বাস্থ্য দফতরে এবং হাসপাতালের সুপারের কাছে লিখিতভাবে তারা এ বিষয়ে জানিয়েও ছিলেন। গত নভেম্বর মাসে এক সপ্তাহের মধ্যে বেতন মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন হাসপাতাল সুপার। কিন্তু, এক সপ্তাহ পেরিয়ে আরও কয়েক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তাদের বকেয়া বেতন মেটানো হয়নি বলে অভিযোগ।

হাসপাতালের এক নিরাপত্তারক্ষী চুমকি চক্রবর্তী বলেন, ' ৮-৯ মাস ধরে বেতন না পাওয়ার ফলে আমরা ছেলেমেয়েদের পড়াতে পারছিনা। সংসারের খরচ টানতে পারছি না। এই অবস্থায় আত্মহত্যা ছাড়া আমাদের আর কোনও উপায় নেই।'

হাসপাতালের সুপার সোমনাথ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য দফতরের কাছে নিরাপত্তারক্ষীদের বকেয়া বেতন মেটানো জন্য তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, তার পরেও কোনও কারণবশত তাদের বেতন আটকে রয়েছে। এদিন কার্যত সুপারের পা ধরে বেতন মেটানোর দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। সেখানে গিয়ে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের উঠিয়ে দেয়।

বন্ধ করুন