বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Bomb Recovered: কুলপিতে খড়ের গাদার মধ্যে নাইলনের ব্যাগ, খুলতেই মিলল একের পর এক তাজা বোমা

Bomb Recovered: কুলপিতে খড়ের গাদার মধ্যে নাইলনের ব্যাগ, খুলতেই মিলল একের পর এক তাজা বোমা

নাইলনের ব্যাগে ভর্তি বোমা উদ্ধার

গত বৃহস্পতিবার ছামনাবনি গ্রামে কৌটো বোমা ফেটে জখম হয় ১৫ ও ১৬ বছরের দুই কিশোর। তার তিনদিন পর রবিবার গ্রাম থেকে উদ্ধার হয় ২৪টি তাজা বোমা। এই ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। এবার আবার কুলপির ওই গ্রামে বোমার হদিশ মিলেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এভাবে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় বাড়ছে আতঙ্ক।

এই নিয়ে পাঁচদিনে তিনবার বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপির ছামনাবনি গ্রামে আবার বোমার হদিশ মিলল। আর তাতে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল। গ্রামের মাঠে খড়ের গাদার মধ্যে নাইলনের ব্যাগে লুকিয়ে রাখা ছিল বোমাগুলি। আজ, মঙ্গলবার সকালে গ্রামের বাসিন্দারা সেগুলি দেখতে পান। খবর দেওয়া হয় থানায়। তৎক্ষণাৎ কুলপি থানার পুলিশ এলাকা ঘিরে ফেলে। খবর দিতেই দ্রুত আসে বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড।

ঠিক কী ঘটেছে কুলপিতে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, এক ব্যক্তির বাড়ির দুয়ারে খড়ের গাদা আছে। সেখানে একটি ব্যাগ দেখতে পান তিনি। যদিও তিনি সেই ব্যাগ রাখেননি। কিন্তু সন্দেহ হওয়ায় ব্যাগের দিকে উঁকি দেন। আর তখনই দেখতে পান গুচ্ছ গুচ্ছ তাজা বোমা। রবিবারের পর আবারও প্রচুর পরিমাণে তাজা বোমা উদ্ধার হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপির ছামনাবুনি এলাকা থেকে। গ্রামের একটি খড়ের গাদার মধ্যে নাইলনের ব্যাগের মধ্যে বোমাগুলি রাখা ছিল।

পুলিশ কী তথ্য পেয়েছে?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, খড়ের গাদার মধ্যে নাইলনের ব্যাগে রাখা ছিল একাধিক তাজা বোমা। কে বা কারা সেগুলি রেখেছে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ব্যাগের মুখ খোলা ছিল। পুলিশ গিয়ে ব্যাগের মুখ সরাতেই দেখে একাধিক তাজা বোমা আছে ব্যাগের মধ্যে। ওই এলাকাটিকে ঘিরে ফেলা হয়। পরে বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড গিয়ে বোমাগুলিকে উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা হয়। রাজ্যে বোমা–গুলি আটকাতে পুলিশ প্রশাসনকে নাকা চেকিংয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ছামনাবনি গ্রামে কৌটো বোমা ফেটে জখম হয় ১৫ ও ১৬ বছরের দুই কিশোর। তার তিনদিন পর রবিবার গ্রাম থেকে উদ্ধার হয় ২৪টি তাজা বোমা। এই ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। এবার আবার কুলপির ওই গ্রামে বোমার হদিশ মিলেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এভাবে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় বাড়ছে আতঙ্ক।

বন্ধ করুন