বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌শরীর খাটিয়েই রোজগার কর’‌, লজের মধ্যেই রমরমিয়ে চলছিল মধুচক্র
গোপনে মধুচক্র চলছিল।
গোপনে মধুচক্র চলছিল।

‘‌শরীর খাটিয়েই রোজগার কর’‌, লজের মধ্যেই রমরমিয়ে চলছিল মধুচক্র

  • শুরু হয়ে যায় লজের মধ্যেই মধুচক্রের ব্যবসা। গোপন সূত্রে এই খবর পেয়েই রবিবার প্রধাননগর থানার চম্পাসারির একটি লজে হানা দেয় পুলিশ।

করোনাভাইরাসের জেরে অনেকটা সময় কেটেছে লকডাউনে। রোজগার নেই। কিন্তু সেকথা পেট শুনতে চায় না। তাহলে উপায়। বাজারে তো কাজ নেই। তখনই দালালদের খপ্পরে পড়ে যুবতীরা। তাদেরই টোপ দেওয়া হয় কাজের। তারপর হোটেলে নিয়ে এসে দালালরা বলে, ‘‌শরীর তো আছে। তা খাটিয়েই রোজগার কর।’‌ শুরু হয়ে যায় লজের মধ্যেই মধুচক্রের ব্যবসা। গোপন সূত্রে এই খবর পেয়েই রবিবার প্রধাননগর থানার চম্পাসারির একটি লজে হানা দেয় পুলিশ। লজের মালিক অদৃশ কুমার শাহ, ম্যানেজার শম্ভুনাথ কুমার–সহ একাধিক যুবক–যুবতীকে গ্রেফতার করা হয়।

এই বিষয়ে শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে খবর, ওই লজে বেশ কিছুদিন ধরেই গোপনে মধুচক্র চলছিল। রবিবার লজে হানা দিতেই সবাই ধরা পড়ে যায়। তদন্তকারীরা জানান, ওই লজে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসতেন। মধুচক্র চালাতে স্থানীয় কিছু যুবতীকে মোটা টাকার বিনিময়ে নিয়োগ করা হয়। পেটের টানে তারা তা করতে বাধ্য হয়। শিলিগুড়ির পাশাপাশি অন্য জেলা এমনকী বিহার থেকেও কয়েকজন যুবতী এই চক্রে যোগ দেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, হানা দিয়ে ৯ যুবক ও ৬ যুবতী ছাড়াও লজের মালিক, ম্যানেজার–সহ লজের সব সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা সকলেই বিহারের বাসিন্দা। এদিনই ধৃত ব্যক্তিদের শিলিগুড়ি আদালতে পাঠানো হয়। ধৃত যুবতীদের আদালতের নির্দেশ মেনে তাঁদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাদের করুণ কাহিনী শুনে অনেক পুলিশকর্মীর চোখেই জল চলে এসেছিল।

বন্ধ করুন