বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Siliguri Rail Accident: কাঞ্চনজঙ্ঘা দুর্ঘটনায় জমা পড়ল রেলের 'জয়েন্ট রিপোর্ট', বিস্ফোরক দাবি লোকো ইন্সপেক্টরের

Siliguri Rail Accident: কাঞ্চনজঙ্ঘা দুর্ঘটনায় জমা পড়ল রেলের 'জয়েন্ট রিপোর্ট', বিস্ফোরক দাবি লোকো ইন্সপেক্টরের

কাঞ্চনজঙ্ঘা দুর্ঘটনায় জমা পড়ল রেলের 'জয়েন্ট রিপোর্ট' (PTI)

যৌথ রিপোর্ট অনুযায়ী, নিয়ম অমান্য করে অত্যধিক গতিতে মালগাড়িটি চলছিল বলেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এই যৌথ রিপোর্টে একজন চিফ লোকো ইন্সপেক্টর অবশ্য ভিন্ন মত জানিয়েছেন।

কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় জমা পড়ল 'যৌথ পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট'। একাধির রেল আধিকারিকরা নিজেদের পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করে এই রিপোর্ট তৈরি করেছেন। কমিশনার অফ রেল সেফটি এই নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত অবশ্য করছে। সেই রিপোর্ট এখনও জমা পড়েনি। তবে যৌথ রিপোর্ট অনুযায়ী, নিয়ম অমান্য করে অত্যধিক গতিতে মালগাড়িটি চলছিল বলেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এই যৌথ রিপোর্টে একজন চিফ লোকো ইন্সপেক্টর অবশ্য ভিন্ন মত জানিয়েছেন। তাঁর মতে ভোর থেকে অটোমেটিক সিগন্যাল খারাপ হওয়ায় এই গোটা সেকশনে 'অ্যাবসোলুট ব্লক' করা উচিত ছিল। অর্থাৎ, একটা সময়ে এই লাইন দিয়ে একটি ট্রেনকেই পার করার অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং, সিগন্যালিং, মেকানিকাল এবং ট্রাফিক দফতরের বাকি আধিকারিকরা এই দুর্ঘটনার দায় চাপিয়েছেন মালগাড়ির মৃত চালকের ঘাড়েই। (আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষকদের জন্য সুখবর, নীরবেই জারি নয়া বিজ্ঞপ্তি, সই রাজ্যপালের)

আরও পড়ুন: কাগুজে সিগন্যালেই কি কাঞ্চনজঙ্ঘা বিপত্তি ঘটেছিল? দুর্ঘটনা নিয়ে কী বলছে রেল...

আরও পড়ুন: এগিয়েছে বর্ষা, বাংলায় জায়গায় জায়গায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, সঙ্গে হবে ঝড়

এর আগে রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সিইও জয়া বর্মা দাবি করেছিলেন, মানুষের ভুলেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দুর্ঘটনা ঘটেছিল। তিনি দাবি করেন, লাল সিগন্যাল অমান্য করে এগিয়ে গিয়েছিল মালগাড়িটি। তবে পরে জানা যায়, এই লাইনে অটোমেটিক সিগন্যাল গোলমাল করছিল বিগত বেশ কয়েকদিন ধরেই। এই আবহে পেপার লাইন ক্লিয়ার টিকিট বা 'কাগুজে সিগন্যাল'-এর মাধ্যমে সেই লাইনে ট্রেন লাচল করছিল। আর কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ধাক্কা মারা সেই মালগাড়ির কাছে নাকি লাল সিগন্যাল অতিক্রম করার অনুমতি ছিল সেই পেপল লাইন ক্লিয়ার টিকিটে। তবে এর অর্থ, ধীরগতিতে লাল সিগন্যাল পেরিয়ে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন মালগাড়ির চালক। সেক্ষেত্রে দুর্ঘটনার দায় কার, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। (আরও পড়ুন: ১৯ দিন পর ঘুম ভাঙল বর্ষার, অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দক্ষিণবঙ্গে কবে আসবে মৌসুমি বায়ু)

আরও পড়ুন: এল 'ডিএ নোটিফিকেশন', আচমকাই লক্ষ্মীলাভ বাংলার সরকারি কর্মীদের

রিপোর্ট অনুযায়ী, টি/এ৯১২ সংখ্যক 'পিএলসিটি' ইস্যু করা হয়েছিল মালগাড়ির চালককে। রঙ্গপানির স্টেশন মাস্টার সেই কাগুজে সিগন্যাল দিয়েছিলেন। সেই টিকিটে বলা হয়েছিল, রঙ্গপানি রেল স্টেশন এবং ছত্তরহাট জংশনের মধ্যে যতগুলি অটোমেটিক সিগন্যাল আছে, সেগুলি পার করার অনুমতি দেওয়া হল। এদিকে নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের কাগুজে সিগন্যাল ব্যবহার করা হলে প্রতি অটোমেটিক সিগন্যালে ১ মিনিট করে অপেক্ষা করতে হবে দিনের বেলায়। এরপর ১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে এগোতে হবে। এমনকী রঙ্গাপানির স্টেশনমাস্টারের দেওয়া টি৩৬৯(৩বি) সংখ্যক অনুমতিপত্রে জানানো হয়েছিল, ট্রেনের গতিবেগ যাতে কোনও ভাবেই ১৫ কিলোমিটারের বেশি না হয়। এই আবহে লাল সিগন্যাল পার করার অনুমতি থাকলেও দুর্ঘটনার স্থল দিয়ে খুবই ধীর গতিতে মালগাড়িটি পার করার কথা ছিল। এই আবহে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হলেই বোঝা যাবে, কেন বিধি অমান্য করে এত দ্রুত গতিতে সেখান দিয়ে ছুটেছিল সেই ঘাতক মালগাড়িটি।

বাংলার মুখ খবর

Latest News

আর্জেন্তিনা-মরক্কো ম্যাচে ধুন্ধুমার,মাঠে উড়ে এল বোতল-আতসবাজি,হারল বিশ্বকাপজয়ীরা 'জঙ্গিরা প্ররোচিত হতে পারে মমতার কথায়, মিথ্যা বলেছেন’, চটলেন হাসিনারা- রিপোর্ট ৬০ লাখ টাকা দাম উঠেছিল নিটের প্রশ্নের, কতজন পেয়েছিলেন? CBI তদন্তে বিস্ফোরক তথ্য 'অভিনয় করেছি তাই...' ট্রোল্ড হতেই পুরস্কার নিয়ে সটান জবাব 'মহানায়ক' নচিকেতার! হাসপাতালে এসে ‘প্রেম রোগে’ আক্রান্ত বৃদ্ধ, লেডি-ডাক্তারকে লিখলেন লাভ লেটার ‘ওয়াহ, ওয়াহ’, ‘পক্ষপাতিত্বের জন্য’ ঠোঁটে আঙুল দিয়ে স্পিকারকে কটাক্ষ অভিষেকের উত্তমের শেষ ইচ্ছে পূরণ করেননি মহানায়িকা! সুচিত্রার কাছে কী চেয়েছিলেন তিনি? ‘বঞ্চিত’ নয় বাংলা, বাজেটে কোটি-কোটি টাকা পেল কলকাতার বিভিন্ন সংস্থা- রইল তালিকা রাজ্যপালের মানহানির প্রমাণ কোথায়? প্রশ্ন মমতার আইনজীবীর বিচ্ছেদের ঘোষণার পরেও নাতাশার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে হার্দিকের! কী লিখলেন?

Copyright © 2024 HT Digital Streams Limited. All RightsReserved.