বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Hilsa: জালে বেশিরভাগই খোকা ইলিশ, চিন্তিত মৎসজীবীরা
 ইলিশ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)

Hilsa: জালে বেশিরভাগই খোকা ইলিশ, চিন্তিত মৎসজীবীরা

  • মৎসজীবীদের আশঙ্কা, এভাবে যদি খোকা ইলিশ ধরা হতে থাকে, তাহলে ভরা বর্ষায় বড় ইলিশের দেখা পাওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে। খোকা ইলিশ ধরা যাতে বন্ধ করা হয়, সেজন্য রাজ্য প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন মৎসজীবীদের একাংশ।

‌কিছুদিন আগেই সমুদ্রে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে। গভীর সমুদ্রে ট্রলার নিয়ে ইলিশ ধরার জন্য পাড়ি দিয়েছেন মৎসজীবীরা। কিন্তু জালে বড় ইলিশ তো ধরা পড়ছে না। বেশিরভাগই খোকা ইলিশ। সেইসঙ্গে যে পরিমাণে বৃষ্টির প্রয়োজন দক্ষিণবঙ্গে সেই বৃষ্টিও তেমন হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে। ফলে মৎসজীবীদের মুখ ভার। কবে বড় ইলিশের দেখা মিলবে, তা নিয়ে যথেষ্টই চিন্তিত মৎসজীবীরা।

এখনও ৫০০ গ্রামের নীচে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা জারি থাকা সত্বেও ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম ওজনের খোকা ইলিশ এখন মৎসজীবীদের জালে ধরা পড়ছে। গত দু'দিনে ব্যাপক হারে খোকা ইলিশ ধরা পড়েছে। এর জেরে মৎসজীবীদের আশঙ্কা, এভাবে যদি খোকা ইলিশ ধরা হতে থাকে, তাহলে ভরা বর্ষায় বড় ইলিশের দেখা পাওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে। খোকা ইলিশ ধরা যাতে বন্ধ করা হয়, সেজন্য রাজ্য প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন মৎসজীবীদের একাংশ।

কাকদ্বীপ মৎসজীবী উন্নয়ন সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিজন মাইতি জানান, ‘‌সমুদ্র উত্তাল থাকায় বহু ট্রলার ফিরে এসেছে। ইতিমধ্যে যে সব ইলিশ ধরা পড়েছে, তার মধ্যে ৬০ শতাংশই খোকা ইলিশ। এখনই যদি খোকা ইলিশ ধরা বন্ধ না হয়, তাহলে বাঙালির পাতে বড় ইলিশের দেখা মিলবে কিনা সন্দেহ।’‌ এ প্রসঙ্গে এক ট্রলার মালিক জানান, ‘‌এক শ্রেণির লোক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খোকা ইলিশ ধরছেন। এর ফলে সামগ্রিকভাবে ইলিশের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’‌

বন্ধ করুন