বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Asansol: প্রতি মাসে দুই জায়গা থেকে বেতন পুরকর্মীর, তদন্তের দাবি ‌বিরোধীদের
যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই পুরকর্মী

Asansol: প্রতি মাসে দুই জায়গা থেকে বেতন পুরকর্মীর, তদন্তের দাবি ‌বিরোধীদের

  • আসানসোল পুরনিগমের মেয়র বিধান উপাধ্যায় জানান, ‘‌আমরা শোকজ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু জানতে পারি, উনি ক্যানসার রোগী। তাই মানবিকতার খাতিরে ছেড়ে দিয়েছি। টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে।’‌

‌আসানসোল পুরনিগমের কর্মী। কিন্তু প্রতি মাসে দুই জায়গা থেকে তাঁর অ্যাকাউন্টে বেতন ঢুকছে। কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব?‌ অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই হয়েছে। সম্প্রতি এমনই অভিযোগ সামনে এসেছে। ইতিমধ্যে ওই পুর কর্মীকে শোকজ করা হয়েছে। ওই কর্মীর বিরুদ্ধে শুরু হয়ে তদন্ত।

জানা গিয়েছে, পুরনিগমের যে কর্মীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে, তাঁর নাম শ্রীজিতা মিত্র। সম্প্রতি একটি তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, শ্রীজিতা আসানসোল পুরনিগমের সদর দফতর থেকেও বেতন পাচ্ছেন, আবার রানিগঞ্জ বোরো অফিস থেকেও বেতন পাচ্ছেন। ২১ মাস ধরে টানা প্রতি মাসে দুবার বেতন পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি পুরনিগমের কংগ্রেস কাউন্সিলার গুলাম সারওয়ার এই অভিযোগ করেছেন। জানা যায়, ২০২০ সালে আসানসোল পুরনিগমের সদর দফতরে চাকরিতে যোগ দেন শ্রীজিতা। কিছুদিন পরই তিনি রানিগঞ্জ বোরো অফিসে বদলি হয়ে যায়। বদলি হয়ে গেলেও আসানসোল পুরনিগমের সদর দফতরে বেতনভোগীর তালিকায় তাঁর নাম ছিল। সেইমতো প্রতি মাসে দুবার ১০ হাজার টাকা করে বেতন নিয়ে গেছেন ওই চুক্তিভিত্তিক কর্মী। কিন্তু কীভাবে পুরনিগমের দুই জায়গায় থেকে বেতন নিচ্ছেন সেই প্রশ্নই তুলতে শুরু করেছেন বিরোধীরা।

এই প্রসঙ্গে আসানসোল পুরনিগমের মেয়র বিধান উপাধ্যায় জানান, ‘‌আমরা শোকজ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু জানতে পারি, উনি ক্যানসার রোগী। তাই মানবিকতার খাতিরে ছেড়ে দিয়েছি। টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে।’‌ যদিও অভিযোগকারীর কথায়, ‘‌শোকজ করা বা টাকা ফেরত দিতে বলাই যথেষ্ট নয়। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা উচিত।’‌

বন্ধ করুন