বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > রামমোহন রায়ের জন্মভিটেকে হেরিটেজ মর্যাদার সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের
রামমোহন রায়। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
রামমোহন রায়। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

রামমোহন রায়ের জন্মভিটেকে হেরিটেজ মর্যাদার সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

১৯১৬ সালে রামমোহনের ওই জন্মভিটেতে রামমোহন স্মৃতি মন্দির তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

‌নবজাগরণের পথিকৃৎ রাজা রামমোহন রায়ের জন্মভিটেকে হেরিটেজ সাইটের মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। চলতি বছর রাজা রামমোহন রায়ের ২৫০তম জন্মবার্ষিকী। এই বছরই সরকারের এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানা যায়, ১৭৭২ সালের ২২ মে হুগলির খানাকুলের রাধানগরে জন্মগ্রহণ করেন রাজা রামমোহন রায়। রাধানগরে অবস্থিত রামমোহন রায়ের পৈতৃক ভিটেটি জীর্ণ শীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেই বাড়িটিকে যাতে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়, সেজন্য পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ কমিশনের একটি দল গত ১২ জানুয়ারি রামমোহন রায়ের জন্মভিটের এলাকাটি ঘুরে দেখে গিয়েছেন। এই এলাকা ছাড়াও আশেপাশের রাজা রামমোহন রায়ের স্মৃতি বিজড়িত এলাকাও ঘুরে দেখেছে প্রতিনিধি দলটি। জানা গিয়েছে, ওই জন্মভিটে ছাড়াও কাছেই রঘুনাথপুরে রামমোহন রায়ের তৈরি আরেকটি বাড়িও রয়েছে। সেই জায়গাও পরিদর্শন করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে আরও জানা গিয়েছে, রামমোহন রায়ের বৌদিকে যেখানে সতীদাহ করা হয়েছিল, সেই জায়গায় বৌদির স্মৃতিতে একটি স্মারক তৈরি করেছিলেন রামমোহন রায়। কিছুদিনের মধ্যে কমিশনের তরফে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ করা হবে। সেই রিপোর্ট নিয়ে কমিশনের বৈঠকে আলোচনা হবে।

নিয়ম অনুযায়ী, একটি পাবলিক নোটিশে রামমোহনের জন্মভিটেকে হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। এরপরে যদি কোনও আপত্তি না আসে, তাহলে এক মাসের মধ্যে হেরিটেজ সাইটে ওই জায়গাটিকে তালিকাভুক্ত করতে হবে। উল্লেখ্য, ১৯১৬ সালে রামমোহনের ওই জন্মভিটেতে রামমোহন স্মৃতি মন্দির তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের কথা মাথায় রেখেই এই স্মৃতি মন্দিরের নকশা তৈরি করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

বন্ধ করুন