বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কার প্রশয়ে চলত পাঁচামির পাথরখাদান? কেষ্টর গ্রেফতারির পরেই ঝাঁপ বন্ধ পাথরশিল্পে
বীরভূমের বহু পাথরখাদান বন্ধ হল আচমকা।

কার প্রশয়ে চলত পাঁচামির পাথরখাদান? কেষ্টর গ্রেফতারির পরেই ঝাঁপ বন্ধ পাথরশিল্পে

  • বীরভূমের মহম্মদবাজার পাথর খাদান মানেই দিনরাতের ব্যস্ততা। হাজার হাজার মানুষের রুটি রুজির মাধ্যম ছিল এই পাথর খাদান। খাদান বন্ধ হয়ে যাওয়া হাজার হাজার শ্রমিকের মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে। আচমকাই সুনসান হয়ে গিয়েছে খাদান।

এতটাই প্রভাবশালী তিনি? অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বীরভূম জুড়ে। ঘটনার নেপথ্যে পাথর খাদানের বর্তমান পরিস্থিতি। বীরভূমের পাচামি সহ জেলার একাধিক পাথর খাদান থেকে পাথর তোলার কাজ বন্ধ করা হল। বৈধ কাগজপত্রের দাবিতে ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই পাথর তোলার কাজ বন্ধ করা হল। এর জেরে এই খাদানের সঙ্গে যুক্ত লক্ষ শ্রমিক কাজ হারাতে চলেছেন। মাথায় হাত পড়েছে অনেকের। 

পাথর ব্যবসায়ী সমিতির দাবি, পরিবেশ দুষণের কারণ দেখিয়ে মামলা রুজু হয়েছিল। তারপর সব খাদান অবৈধ হয়ে যায়। ২১৭টি খাদানের মধ্যে মাত্র ৬টির কাছে বৈধ কাগজ রয়েছে। তবে এতদিন কার প্রশয়ে চলছিল এসব? এখান থেকেও কি কাটমানি যেত কেষ্টর কাছে? তানিয়ে অবশ্য পাথর খাদানের মালিকরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। 

এদিকে ১৫০০ ক্রাশারও চলত। তারও প্রায় ৯০ শতাংশ অবৈধ বলে অভিযোগ। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ার পরেই আতঙ্কে ভুগছেন একাধিক পাথর খাদানের মালিক। এবার অবৈধ কাজকর্ম করলে তারাও গ্রেফতার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন। সেকারণেই তারা আগাম তাদের পাথর খাদান বন্ধ করে দিয়েছেন।

এদিকে বীরভূমের মহম্মদবাজার পাথর খাদান মানেই দিনরাতের ব্যস্ততা। হাজার হাজার মানুষের রুটি রুজির মাধ্যম ছিল এই পাথর খাদান। খাদান বন্ধ হয়ে যাওয়া হাজার হাজার শ্রমিকের মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে। আচমকাই সুনসান হয়ে গিয়েছে খাদান।বন্ধ হয়ে গিয়েছে ক্রাশার। আপাতত বৈধ কাগজ জোগাড় করতে না পারলে খাদান চালানো হবে না বলেই আপাতত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিকপক্ষ।

বন্ধ করুন