বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > করোনা হাসপাতাল থেকে উধাও রোগীর দেহ মিলল মন্দির চত্বরে, চাঞ্চল্য জলপাইগুড়িতে
: ছবিটি প্রতীকী, (‌ফাইল চিত্র)‌

করোনা হাসপাতাল থেকে উধাও রোগীর দেহ মিলল মন্দির চত্বরে, চাঞ্চল্য জলপাইগুড়িতে

  • জলপাইগুড়ির ওই করোনা হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেনরোগী। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। সবার অলক্ষ্যে হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যান ওই রোগী। পরে ওয়ার্ডে তাঁকে খুঁজে না—পেয়ে, পুলিশকে খবর দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর পর স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ জানান নুকুড়ুবাবুর পরিবার। এরই মধ্যে শুক্রবার সকালে রাজগঞ্জে তাঁর দেহ উদ্ধার ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়।

জলপাইগুড়ির করোনা হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিলেন সংক্রমিত রোগী। পরে তাঁর দেহ উদ্ধার হল রাজগঞ্জ এলাকার এক মন্দির চত্বরে। ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। ওই রোগীর থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি কীভাবে করোনা হাসপাতাল থেকে রোগী উধাও হয়ে গেল, হাসপাতালের নিরাপত্তার নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

‌হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম নুকুড়ু রায়(‌৬৫)। তিনি বাতাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। ঘটনায় ওই রোগীর পরিবার স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ এনেছেন।তাঁদের অভিযোগ, এতজন নিরাপত্তারক্ষীর চোখ এড়িয়ে, করোনা আক্রান্ত একজন প্রৌঢ় কীভাবে নিখোঁজ হলেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না তাঁরা।

তবে করোনা হাসপাতাল থেকে রোগীর উধাও হওয়ার ঘটনায়, নড়েচড়ে বসেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতাল সুপার গয়ারাম নস্কর জানিয়েছেন, হাসপাতালে টিকিট পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। হাসপাতাল গেটে সেই টিকিট দেখে তবেই পুলিশ ঢুকতে বা বের হতে দেবে।

করোনা হালপাতালের রোগী নিখোঁজের ঘটনা স্বীকার করে উত্তরবঙ্গের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক আধিকারিক চিকিৎসক সুশান্ত রায় বলেন, ‘ ওই ‌হাসপাতাল থেকে রোগী নিখোঁজ হওয়ার পর বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছিল। হাসপাতালের গেটে সব সময় মোতায়ন থাকে পুলিশ। এর পরও কীভাবে সেখান থেকে লোক বেরিয়ে যাচ্ছে, সেটাই প্রশ্নের।’‌

ঘটনার সূত্রপাত গত ১১ মে। বাতাবাড়ির বাসিন্দা নুকুড়ু রায় জলপাইগুড়ির ওই করোনা হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। সবার অলক্ষ্যে হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যান ওই রোগী। পরে ওয়ার্ডে তাঁকে খুঁজে না—পেয়ে, পুলিশকে খবর দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর পর স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ জানান নুকুড়ুবাবুর পরিবার। এরই মধ্যে শুক্রবার সকালে রাজগঞ্জে তাঁর দেহ উদ্ধার ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়।

সূত্রের খবর, ঘটনার দিন হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে বাসে চেপে রাজগঞ্জে নামেন তিনি।সেখানে বাজার এলাকায় সারাদিন ঘুরে বেড়ান ওই ব্যক্তি। অসুস্থ ওই ব্যক্তিকে খেতেও দেন স্থানীয়রা। তার পর সেখান থেকে বেরিয়ে এলাকারই একটি মন্দির চত্বরে গিয়ে বসেন তিনি। অনুমান করা হচ্ছে, সেখানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার পর স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে, পুলিশ এসে ওই ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

বন্ধ করুন