বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Nadia: মেয়েকে কেড়ে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ছাড়া করার অভিযোগ, থানার সামনে ধরনায় পুত্রবধূ
মেয়েকে কেড়ে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ছাড়া করার অভিযোগ, থানার সামনে ধরনায় পুত্রবধূ

Nadia: মেয়েকে কেড়ে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ছাড়া করার অভিযোগ, থানার সামনে ধরনায় পুত্রবধূ

  • পাপিয়ার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে তার ওপর অত্যাচার করছেন তার স্বামী সুজন বিশ্বাস এবং তার শাশুড়ি। এর আগেও তাকে বহুবার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা মারধর করেছেন। মারের চোটে একসময় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে তার একমাত্র কন্যাসন্তানকে কেড়ে নিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় শ্বশুর বাড়ির সদস্যরা।

তিন বছরের কন্যা সন্তানকে কেড়ে নিয়ে পুত্রবধূকে ঘরছাড়া করার অভিযোগ উঠল স্বামী এবং শাশুড়ির বিরুদ্ধে। ঘটনায় বিচার চেয়ে থানার সামনে ধরনায় বসলেন পুত্রবধূ। ঘটনাটি নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালী থানার। অভিযোগ, তিনি শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের বিরুদ্ধে থানার দারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। তাই মেয়েকে নিজের কাছে ফিরে পেতে এবার ধরনাতেই বসে পড়লেন পুত্রবধূ পাপিয়া বিশ্বাস।বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন: বৌমাকে ধর্ষণ করেছি! কবুল শ্বশুরের, কেন সায় দিতেন? বিস্ফোরক শাশুড়ি

পাপিয়ার অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে তার ওপর অত্যাচার করছেন তার স্বামী সুজন বিশ্বাস এবং তার শাশুড়ি। এর আগেও তাকে বহুবার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা মারধর করেছেন। মারের চোটে একসময় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে তার একমাত্র কন্যাসন্তানকে কেড়ে নিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় শ্বশুর বাড়ির সদস্যরা। পাপিয়ার আরও অভিযোগ, এনিয়ে তিনি থানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই অভিযোগ নিতে চায়নি পুলিশ। উল্টে তাকে হেনস্থা করা হয়। তাই শেষমেষ বাধ্য হয়েই তিনি থানার সামনে ধরনায় বসেছেন। এদিকে, ধর্নায় বসলেও পুলিশ তাকে উঠিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। পরে আবার তিনি ধরনায় বসেন। মহিলার ধরনা দেখে ভিড় জমে পথ চলতি মানুষের।

যদিও সন্তান কেড়ে নেওয়া এবং মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাপিয়ার শ্বশুর বাড়ির সদস্যরা। তাদের বক্তব্য, পাপিয়া নিজেই ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছে। বিষয়টি পৌঁছেছে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার সুপার ঈশানী পালের কাছে। তিনি জানিয়েছেন ঘটনায় দুই পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেছে। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

বন্ধ করুন