বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Manikchak: ঘুমিয়ে ছিলেন মা ও মেয়ে, কান কেটে সোনার অলঙ্কার ছিনতাই করল দুষ্কৃতীরা, আতঙ্ক!

Manikchak: ঘুমিয়ে ছিলেন মা ও মেয়ে, কান কেটে সোনার অলঙ্কার ছিনতাই করল দুষ্কৃতীরা, আতঙ্ক!

মানিকচক থানা।

প্রতিদিনকার মতো রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন মা ও মেয়ে। পাশের ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন নূসেরার ছেলে তাসর উদ্দিন। গভীর রাতে কোনওভাবে ঘরের দরজা খুলে বাড়ির ভিতরে ঢুকে কয়েকজন দুষ্কৃতী। এরপরেই তারা নূসেরা বেওয়া এবং তাঁর মেয়েকে ধরে প্রথমে বেধড়ক মারধর করে।

ঘুমন্ত অবস্থায় মহিলার কান কেটে সোনার অলঙ্কার ছিনতাই করে পালাল দুষ্কৃতীরা। এছাড়াও ওই মহিলার মায়ের কান থেকেও দুষ্কৃতীরা অলঙ্কার ছিনতাই করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার গভীর রাতে মালদহের মানিকচক থানার গোপালপুর গ্রামে। ঘটনায় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মা ও মেয়ে। মায়ের নাম নূসেরা বেওয়া এবং মেয়ের নাম রুলেখা বিবি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনকার মতো রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন মা ও মেয়ে। পাশের ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন নূসেরার ছেলে তাসর উদ্দিন। গভীর রাতে কোনওভাবে ঘরের দরজা খুলে বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়ে কয়েকজন দুষ্কৃতী। এরপরেই তারা নূসেরা বেওয়া এবং তাঁর মেয়েকে ধরে প্রথমে বেধড়ক মারধর করে। তারপর তাদের কানে থাকা সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নেয়। রুলেখা বাধা দিলে দুষ্কৃতীরা তাঁর ডান কান কেটে নেয়। ঘটনায় চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন মা ও মেয়ে। এদিকে পাশের ঘরেই ছিলেন নূসেরার ছেলে। তবে দুষ্কৃতীরা তাঁর ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে দিয়েছিল। ফলে তিনি বেরোতে পারেননি।

তাঁদের চিৎকারের আওয়াজ শুনে স্থানীয়রা ওই বাড়িতে ছুটে আসে। তবে ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান স্থানীয়রা। এরপরে সেখান থেকে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। রুলেখা বিবির মাথায় দুষ্কৃতীরা আঘাত করেছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, পরিচিত কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে পারে। এই ঘটনার পরে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

বন্ধ করুন