বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'শিক্ষকের চাকরিতে বাম শরিকদের মধ্যে কোটার সিস্টেম ছিল,' বিস্ফোরক উদয়ন গুহ
উদয়ন গুহর সঙ্গে পরেশ অধিকারী । ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক 

'শিক্ষকের চাকরিতে বাম শরিকদের মধ্যে কোটার সিস্টেম ছিল,' বিস্ফোরক উদয়ন গুহ

  • উদয়ন গুহ লিখেছেন, '৮০-৯০ এর দশকে কোচবিহার জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বাম শরিকদের মধ্যে কোটার সিস্টেম ছিল। সেই সময় বাম নেতা কর্মী ও তাঁদের আত্মীয়রা যারা প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পেয়েছেন প্রায় সবাই সেই কোটার ফসল।'

পরেশ অধিকারী ও উদয়ন গুহ দুজনেই বিগতদিনে ছিলেন কোচবিহারের দাপুটে ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা। আর দুজনেই এখন তৃণমূলের বিধায়ক। পরেশ অধিকারী বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী। এদিকে সেই পরেশ অধিকারীর মেয়েকে ঘুরপথে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ। এনিয়ে সিবিআই তলব করেছে পরেশকে। এবার সেই প্রসঙ্গ টেনে ফরওয়ার্ড ব্লকের দাপুটে নেতাদের নাম করে বিস্ফোরক পোস্ট করলেন উদয়ন গুহ। তবে এই পোস্ট দেখে নেটনাগরিকদের একাংশের দাবি, আপনিও তো আগে ওই দলে ছিলেন। তখন প্রতিবাদ করেননি কেন?

ফেসবুক পোস্টের প্রথমেই তিনি লিখেছেন, ‘পরেশ অধিকারীর সমর্থনে নয়। আমার এই লেখা একদম পরেশ অধিকারীর হয়ে ওকালতি করার জন্য নয়।’…..তিনি লিখেছেন ‘চালুনি যখন বলে ছুঁচ ওরে তোর পিছনে কেন ফুটো তখন কেমন লাগে না?’

যেমন ধরুন গিয়ে বিখ্যাত দীপক সরকার কোচবিহার জেলা ফরওয়ার্ড ব্লকের সভাপতি দুর্নীতি সহ্য করতে না পেরে পরেশ অধিকারীর তুমুল সমালোচনা করেছেন। এইবার একটু মন দিয়ে পড়ুন।’

তিনি লিখেছেন, 'দীপক বাবুর স্ত্রী কোচবিহার পৌরসভায় বাম আমলে চাকরি পান এখন অবসর নিয়েছেন। দীপকবাবুর মেজো ভাই মারা গিয়েছেন, কৃষি দফতরে চাকরি করতেন। কৃষি দফতর ছিল ফরওয়ার্ড ব্লকের হাতে। সেই ভাইয়ের ছেলে তৃণমূল আমলে শিক্ষক। চাকরিটা যদি সঠিকভাবে হয়ে থাকে তবে সব চাকরি অসৎ ভাবে হয় না তাই তো দীপকবাবু? তাঁর আর এক ভাইয়ের স্ত্রীর মহিলা কলেজের করণিকের চাকরি যখন হয় তখন দীপকবাবু কমিটির সদস্য। পরেশবাবু যখন খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন খাদ্য দফতরে চাকরি পান সবচেয়ে ছোট ভাই।'

‘কী ভাবে পেলেন সৎ ভাবে তো? পরেশবাবু যদি বলেন তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে।’ তিনি লিখেছেন, '৮০-৯০ এর দশকে কোচবিহার জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বাম শরিকদের মধ্যে কোটার সিস্টেম ছিল। সেই সময় বাম নেতা কর্মী ও তাঁদের আত্মীয়রা যারা প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পেয়েছেন প্রায় সবাই সেই কোটার ফসল।' বিস্ফোরক প্রাক্তন বাম নেতা। তবে এনিয়ে দীপক সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

 

বন্ধ করুন