বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > সিঁধ কেটে দুপুরে গৃহস্থের বাড়িতে চোর, গৃহকর্ত্রীর তৎপরতায় গ্রেফতার জলপাইগুড়িতে
ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ চোরটিকে গ্রেফতার করে।

সিঁধ কেটে দুপুরে গৃহস্থের বাড়িতে চোর, গৃহকর্ত্রীর তৎপরতায় গ্রেফতার জলপাইগুড়িতে

  • এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ময়নাগুড়ি থানার দেবীনগর পাড়ায়। ধৃত যুবকের নাম মহেশ রায়। আজ, দুপুরে সুযোগ বাড়ি ফাঁকা ভেবে বেমালুম সিঁড়ি বেয়ে উঠে যায় দোতলার ঘরে। সেখানে আলমারি খুলে নগদ–গয়না সাফাই করছিল পেশাদার চোরটি।

জলপাইগুড়িতে দিনেদুপুরে গৃহস্থের বাড়িতে ঢুকে চুরি করতে গিয়েছিল চোর। কিন্তু সব চেষ্টা বৃথা গেল চোরের। কঠিন পরিশ্রম করে সবার নজর এড়িয়ে আলমারির কাছে পৌঁছে গিয়েছিল চোর। শুরু করেছিল নগদ সাফাই। তবে এই এত পরিশ্রম করে শেষে এভাবে তিরে এসে তরী ডুববে সে কল্পনাও করতে পারেনি। অথচ সেটাই ঘটেছে।

ঠিক কী ঘটেছে জলপাইগুড়িতে?‌ গৃহস্থের বাড়ি সূত্রে খবর, আজ, শুক্রবার যখন বাড়ির সবাই মধ্যাহ্নভোজ করছিলেন তখন দোতলা ফাঁকা ছিল। এই সুযোগে সিঁধ কেটে গৃহস্থ গোপাল সাহার বাড়িতে সটান ঢুকে পড়ে এই সিঁধেল চোরটি। তারপর সিঁড়ি বেয়ে উঠে যায় দোতলার ঘরে। সেখানে আলমারি খুলে মূল্যবান জিনিসপত্র নিতে শুরু করেছিল। সেটাই দেখতে পেয়ে যান বাড়ির গৃহকর্ত্রী।

তারপর ঠিক কী ঘটল?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ময়নাগুড়ি থানার দেবীনগর পাড়ায়। ধৃত যুবকের নাম মহেশ রায়। আজ, দুপুরে সুযোগ বাড়ি ফাঁকা ভেবে বেমালুম সিঁড়ি বেয়ে উঠে যায় দোতলার ঘরে। সেখানে আলমারি খুলে নগদ–গয়না সাফাই করছিল পেশাদার চোরটি। তখন সাহা গিন্নি একতলা থেকে দ্বিতীয় তলায় হাজির হন। চুরি হচ্ছে দেখে হতবাক হয়ে যান। অচেনা যুবককে ঘরে দেখতে পেয়ে সজোরে তার হাত আটকে ধরেন নেপাল সাহার স্ত্রী। চিৎকার করে লোক ডাকতে থাকেন তিনি। তখন ঝটকা মেরে সাহা বাড়ির গিন্নির হাত ছাড়িয়ে পালিয়ে যায় চোর।

ধরা পড়ল কী করে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, গৃহকর্ত্রীর চিৎকারে লোক জড়ো হতে শুরু করে। আর চোর বেশি দূর পালাবার আগেই এলাকার লোকজন ওই চোরকে ধরে ফেলে। তারপর ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই চোরটিকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। ধৃত চোর মহেশ রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির অভিযোগ রয়েছে।

বন্ধ করুন