বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > রানিগঞ্জে টিডিবি কলেজে অধ্যক্ষকে তিন ঘণ্টা ঘেরাও পড়ুয়াদের, দাবিপত্র পেশ
রানিগঞ্জে টিডিবি কলেজে অধ্যক্ষকে তিন ঘণ্টা ঘেরাও পড়ুয়াদের, দাবিপত্র পেশ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য সন্তোষ কুমার/হিন্দুস্তান টাইমস)
রানিগঞ্জে টিডিবি কলেজে অধ্যক্ষকে তিন ঘণ্টা ঘেরাও পড়ুয়াদের, দাবিপত্র পেশ (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য সন্তোষ কুমার/হিন্দুস্তান টাইমস)

রানিগঞ্জে টিডিবি কলেজে অধ্যক্ষকে তিন ঘণ্টা ঘেরাও পড়ুয়াদের, দাবিপত্র পেশ

  • তাঁর মতে, কোনও ছাত্র সংসদ এখন নেই তো। তিনি কোনও বহিরাগত ছাত্রছাত্রীকে ঢুকতে দেবেন না।

রানিগঞ্জে টিডিবি কলেজে ছাত্র বিক্ষোভ। অধ্যক্ষকে তিন ঘণ্টা ঘরে ঘেরাও করে রাখেন ছাত্রছাত্রীরা। শেষপর্যন্ত পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বিক্ষোভকারী ছাত্রছাত্রীরা অধ্যক্ষের কাছে দাবিপত্র পেশ করেছেন। পড়ুয়াদের দাবি বিবেচনা করে দেখছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

সোমবার কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিক্ষোভরত ছাত্রনেতার দাবি, তিন বছর ধরে ছাত্রছাত্রীদের আইডি কার্ড দেওয়া হয়নি। আইডি কার্ডের ফি নেওয়া হলেও কার্ড ছাত্রছাত্রীরা পাননি। প্রতিটি কলেজের ক্যান্টিন খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁদের কলেজের ক্যান্টিন খুলে দেওয়া হয়নি। ফলে খাবার খেতে সমস্যা হচ্ছে। একইসঙ্গে এত বড় ক্যাম্পাসে হস্টেল থাকা সত্ত্বেও তা খোলা হচ্ছে না। বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, এই বছর বিবিএ–এর পঠন-পাঠন শুরু হয়েছে কলেজে। কলেজে ভরতির জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিবিএ–এর ক্লাস ঠিকভাবে হচ্ছে না। ছাত্রছাত্রীরা এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের ছাড় দেওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। অ্যাড ফান্ডের টাকার কোনও হিসাব নেই। একইসঙ্গে কলেজে ছাত্র রাজনীতি করার অধিকার অধ্যক্ষ কেড়ে নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গে পড়ুয়াদের প্রশ্ন, ছাত্রছাত্রীদের কি কলেজে রাজনীতি করার কোনও অধিকার নেই?‌ একাধিকবার আলোচনার পরও মীমাংসা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ছাত্ররা আন্দোলনে নেমেছে। ছাত্রছাত্রীদের কি আন্দোলন করার কোনও অধিকার নেই?‌

ছাত্র-ছাত্রীদের এই আন্দোলন প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ অবশ্য তাঁর অবস্থানে অনড়। তাঁর মতে, কোনও ছাত্র সংসদ এখন নেই তো। তিনি কোনও বহিরাগত ছাত্র-ছাত্রীকে ঢুকতে দেবেন না। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাস করবেন, তারপর বাড়ি চলে যাবেন। তবে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সর্বদা তাঁর দরজা খোলা রয়েছে। যে কেউ তাঁর কাছে আসতে পারেন। তিনি জানান, প্রথমেই তিনি পড়ুয়াদের কাছ থেকে দাবিপত্র চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা দেননি। তারপর তিনি পুলিশ ডাকতে বাধ্য হন। পুলিশ এলে তারপর তাঁরা তাঁদের দাবিপত্র দেয়।

বন্ধ করুন