নারী দিবসে বিশেষ বার্তা মমতার (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
নারী দিবসে বিশেষ বার্তা মমতার (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

নারী দিবসে বিশেষ বার্তা মমতার, রাজ্যসভায় তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় দুই মহিলা

চার নতুন মুখকেই বেছে নিল তৃণমূল। দুই মহিলা প্রার্থী রয়েছেন তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায়।

প্রথম থেকেই তাঁদের নাম ভাসছিল। সেইমতো তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় তেমন কোনও চমক দেখা গেল না। মৌসম বেনজির নূর, অর্পিতা ঘোষ, দীনেশ ত্রিবেদী ও সুব্রত বক্সীকে রাজ্যসভার প্রার্থী করল তৃণমূল। এদিন টুইটারে নিজেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন : করোনার আবহে কেন্দ্রকে সখ্যের বার্তা মমতার

এবার রাজ্যসভা ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির পরই শুরু হয়েছিল অঙ্ক। যে চার সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছিল তাঁদের মধ্যে কে ডি সিং ও আহমেদ হাসান ইমরানকে যে সংসদের উচ্চকক্ষে পাঠানো হবে না, তা স্পষ্ট ছিল। যোগেন চৌধুরীকেও প্রার্থী করা হবে না বলেই দলীয় সূত্রে খবর ছিল। মণীশ গুপ্তকে পাঠানোর বিষয়টি ভাবনায় থাকলেও শেষপর্যন্ত চার নতুন মুখকেই বেছে নিল তৃণমূল।

আরও পড়ুন : Bengal Government Retirement Age: যোগ্যদের আরও ২ বছর সরকারি চাকরিতে রাখা হোক, নির্দেশ মমতার

এবার তৃণমূলের তিন প্রার্থীই গত লোকসভা নির্বাচনে হেরেছিলেন। ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ দীনেশ হারলেও রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। ফলে তাঁকে পাঠানোর ভাবনা প্রথম থেকেই ছিল তৃণমূলের অন্দরে। মৌসমও সাংসদ ছিলেন। পাশাপাশি সংখ্যালঘু মুখ হিসেবেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। আলোচনায় ছিলেন অর্পিতাও। হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে সুব্রত বক্সী ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের নাম ঘোরাফেরা করছিল। তবে কিছুটা হলেও এগিয়ে ছিলেন দক্ষিণ কলকাতার প্রাক্তন সাংসদ। বয়স ও স্বাস্থ্যজনিত কারণে গত লোকসভা ভোটে দাঁড়াননি। রাজ্যসভায় তিনি প্রার্থী হতে চাইবেন কিনা তা নিয়ে সন্দিহান ছিল দলের একাংশই। যদিও দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা একমত ছিলেন, রাজ্যসভায় পাঠানো হলে তৃণমূলের লাভ হবে। শেষপর্যন্ত তাঁকেই রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করলেন তৃণমূল সুুপ্রিমো।

আরও পড়ুন : দিল্লির হিংসা থেকে নজর ঘোরাতে করোনা নিয়ে হুজুগে মেতেছে কেন্দ্র, দাবি মমতার

এদিন একটি টুইটবার্তায় তিনি বলেন, 'আমি এটা ঘোষণা করতে আনন্দিত যে অপির্তা ঘোষ, মৌসম বেনজরি নূর, দীনেশ ত্রিবেদী ও সুব্রিত বক্সীকে রাজ্যসভায় প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হচ্ছে। নারীদের ক্ষমতায়নের প্রতি আমার নিরন্তর প্রয়াসের অংশ হিসেবে আমি গর্বিত যে আমাদের মনোনীত প্রার্থীদের ৫০ শতাংশ মহিলা।'

নারীদের প্রতি বার্তা দিলেও হুগলির প্রাক্তন সাংসদ রত্না দে নাগের নাম বাদ যাওয়ায় কিছুটা অবাক রাজনৈতিক মহলের একাংশ। গত ভোটে হারলেও তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। সাংসদ হিসেবেও ভালো নাম ছিল। তাই কী কারণে তিনি মনোনীত হলেন না তা নিয়ে জল্পনা চলছে।

বন্ধ করুন