বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > দুর্নীতির বিরোধিতা করায় তৃণমূলেরই একাংশের মদতে খুন, দাবি অসীম দাসের পরিবারের
নিহত তৃণমূল নেতা অসীম দাস। 
নিহত তৃণমূল নেতা অসীম দাস। 

দুর্নীতির বিরোধিতা করায় তৃণমূলেরই একাংশের মদতে খুন, দাবি অসীম দাসের পরিবারের

  • পরিবারের দাবি, কয়েক বছর আগেও অসীমবাবুকে খুনের চেষ্টা হয়েছিল। খেতিয়ার কাছে একা পেয়ে অসীমবাবুকে বেধড়ক মারধর করে দুষ্কৃতীরা। মারের চোটে সংজ্ঞা হারান অসীম। এর পর তাঁকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে পালায় দুষ্কৃতীরা।

মঙ্গলকোটে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি অসীম দাস খুনে দলের গোষ্ঠীকোন্দলকেই দায়ী করল পরিবার। সোমবার সন্ধ্যায় ওই খুনের পর বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলে সরব হয়েছিল তৃণমূল। পরিবারের বক্তব্যে চরম অস্বস্তিতে শাসকশিবির।

তৃণমূল নেতার পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, দলের দুর্নীতির বিরোধিতা করতেন অসীমবাবু। তাই কিছু লোক চাইতেন না তিনি দলে থাকুন। যার জেরে এর আগে অন্তত ২ বার হামলা হয়েছে তাঁর ওপরে। বেশ কয়েকবার তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে তৃণমূলের অপরগোষ্ঠী।

পরিবারের দাবি, কয়েক বছর আগেও অসীমবাবুকে খুনের চেষ্টা হয়েছিল। খেতিয়ার কাছে একা পেয়ে অসীমবাবুকে বেধড়ক মারধর করে দুষ্কৃতীরা। মারের চোটে সংজ্ঞা হারান অসীম। এর পর তাঁকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে পালায় দুষ্কৃতীরা। পরে স্থানীয়রা তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তখনও পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছিল, হামলার নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূলেরই অপর গোষ্ঠী।

অসীমবাবুর পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে এলাকায় বিজেপি বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। আর এখানে তৃণমূলের যা দাপট তাতে অন্য এলাকা থেকে এসে খুন করা সম্ভব নয়। তাঁদের দাবি, খুনি রয়েছে দলেই। সেজন্য ৪ তৃণমূলকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁরা।

যদিও স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীর দাবি, খুনের পিছনে জড়িত বিজেপি। এলাকায় সন্ত্রাস ছড়াতে তাঁরাই অসীমবাবুকে খুন করেছে। একই কথা বলেছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও। তবে সেই যুক্তি মানতে নারাজ মৃতের পরিবার।

 

বন্ধ করুন