বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌ফুলকো লুচির ভীমরতি হয়েছে’‌, শোভন–বৈশাখীকে বেলাগাম আক্রমণ সুজাতা খাঁর
বৃহস্পতিবার পূর্বস্থলীতে সুজাতা মণ্ডল। 
বৃহস্পতিবার পূর্বস্থলীতে সুজাতা মণ্ডল। 

‘‌ফুলকো লুচির ভীমরতি হয়েছে’‌, শোভন–বৈশাখীকে বেলাগাম আক্রমণ সুজাতা খাঁর

  • নাম না করেই কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে ‘ফুলকো লুচি’ বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁর স্ত্রী তৃণমূল নেত্রী সুজাতা মণ্ডল খাঁ।

বৃহস্পতিবার বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। একেবারে চাঁচাছোলা ভাষায় গেরুয়া শিবিরকে বিদ্ধ করা হল। তবে নাম না করেই কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে ‘ফুলকো লুচি’ বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁর স্ত্রী তৃণমূল নেত্রী সুজাতা মণ্ডল খাঁ। আর এই মন্তব্যে সভা জুড়ে হাসির রোল ওঠে। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক গঠনের সঙ্গে ফুলকো লুচি মিলিয়ে এই তির্যক মন্তব্য করেন তৃণমূল কংগ্রেস। 

হুগলির গুড়াপে তৃণমূল কংগ্রেসের সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অসীমা পাত্র, জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব, তৃণমূল মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য–সহ একাধিক নেতা। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুজাতা বলেন, ‘‌একজন ফুলকো লুচি আছে জানেন, কলকাতার প্রাক্তন মেয়র মিস্টার চট্টোপাধ্যায়। গালগুলো ফুলকো লুচির মতো। আর তাঁর ৬০ বছর বয়সে ভীমরতি হয়েছে বউ, বাচ্চা, সংসার, মন্ত্রিত্ব সব ফেলে অন্যের বউকে হরপ করে আনল।’‌ সুজাতার এই মাখো মাখো কথায় বেশ মজা পেয়েছেন গ্রামীণ মানুষজন। তাই তুমুল হাততালি ও হাসির রোল তুলেছেন তাঁরা।

বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সুজাতা মণ্ডল খাঁ। তাঁর কথায়, ‘‌মিসেস ব্যানার্জি নারদ ঘুষের টাকায় কেনা ভরি ভরি গয়না, দামি দামি শাড়ি পরে নির্লজ্জের মতো ঘুরে বেড়ায়। যদি নিজেদের সংসার বাঁচাতে চান ঘর ভাঙানি জালি পার্টিকে ভোট দেবেন না। কাঁথির একটা গদ্দার, বেইমান আছে। মুর্শিদাবাদে মীরজাফরের সমাধিতে যেভাবে মানুষ জুতো পরে থুতু ফেলে ঢোকে, সেরকমই চার মাস পরে কাঁথির গদ্দারটার সঙ্গে তাই না হয়।’‌ এখানে অবশ্য তিনি নাম না করলেও কারও বুঝতে অসুবিধা হয়নি তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করেছেন।

এমনকী এদিন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈশালী ডালমিয়াকেও আক্রমণ করেন সুজাতা মণ্ডল খাঁ। তৃণমূল থেকে সদ্য বিজেপিতে যাওয়া নেতাদের উদ্দেশ্যে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘‌আসলে বুঝে গিয়েছিল আর জিততে পারবে না, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চোরদের টিকিট দিত না, তাই তাঁরা বিজেপিতে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন এই চোরগুলি ছিল চোর, আর রাতারাতি বিজেপিতে হয়ে গেল সাধু! চার মাস পর এদের রাজনীতির ময়দানে আর দেখা যাবে না।’‌

 

বন্ধ করুন