বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ত্রাণে বঞ্চনার অভিযোগ, মন্ত্রী গ্রাম ছাড়তেই তৃণমূল কর্মীদের ব্যাপক পেটাল জনতা
বাঁ দিকে আক্রান্ত তৃণমূলকর্মী। ডান দিকে দোকান ভাঙচুরের পর।
বাঁ দিকে আক্রান্ত তৃণমূলকর্মী। ডান দিকে দোকান ভাঙচুরের পর।

ত্রাণে বঞ্চনার অভিযোগ, মন্ত্রী গ্রাম ছাড়তেই তৃণমূল কর্মীদের ব্যাপক পেটাল জনতা

  • তৃণমূল নেতাদের মারধরের পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় তাদের গাড়ি ও দোকানে। 

বেছে বেছে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে তৃণমূল সমর্থক পরিবারগুলিকে। এই অভিযোগে শনিবার তৃণমূল কর্মীদের ব্যাপক মারধর করলেন গ্রামবাসীরা। ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ধনেশ্বরপুর এলাকার। গ্রামবাসীর মারে মাথা ফাটে ২ তৃণমূলকমীর। তৃণমূল কর্মীদের দোকান ও মোটরসাইকেলেও অগ্নি সংযোগের অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি লোক খ্যাপাচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। 

শনিবার পিংলা ব্লকের ধনেশ্বরপুর এলাকার সাঙ্গাড়ে ঘূর্ণিঝড় আমফান বিধ্বস্তদের ত্রিপল বিতরণ করে তৃণমূল। ত্রাণ বিতরণ করতে গ্রামে গিয়েছিলেন পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। এরই মধ্যে ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামবাসীদের একাংশ। তাদের অভিযোগ, বেছে বেছে তৃণমূল সমর্থক পরিবারগুলিকে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। যাদের প্রকৃতই ত্রাণ দরকার তারা পাচ্ছে না। 

অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র এলাকা ছাড়তেই তৃণমূল কর্মীদের ঘিরে ধরেন গ্রামবাসীরা। শুরু হয় ব্যাপক মারধর। তৃণমূলকর্মীদের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন স্থানীয়রা। আগুন দেওয়া হয় তৃণমূল কর্মীদের দোকানেও। গ্রামবাসীদের মারে আহন হন স্থানীয় তৃণমূল নেতা বিষ্ণুপদ সিং ও গঙ্গারাম দে। তাঁদের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা চলছে। 

তৃণমূলের দাবি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের খ্যাপাচ্ছে বিজেপি। নানা অসত্য তথ্য পরিবেশন করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। যার ফলে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের কর্মীরা। ওদিকে বিজেপির দাবি, পক্ষপাত ও দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের ওপর মানুষ এমনিই ক্ষিপ্ত। বিধানসভা নির্বাচন যত এগোবে ততই এই ধরণের ঘটনা বাড়তে থাকবে। ঠিক যেমনটা সিপিএম নেতাদের আক্রান্ত হতে হয়েছিল ২০১১-র নির্বাচনের মুখে। 

 

 

বন্ধ করুন