বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌নিজেদের পকেটটা বড্ড ভারী করে ফেলেছেন’‌, নদিয়ায় দলের নেতাদের আক্রমণ মদনের
মদন মিত্র

‘‌নিজেদের পকেটটা বড্ড ভারী করে ফেলেছেন’‌, নদিয়ায় দলের নেতাদের আক্রমণ মদনের

  • কামারহাটির বিধায়কের মন্তব্যের জেরে প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ সরাসরি নদিয়া জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের তিনি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। প্রশ্ন উঠছে, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা শংকর সিং বা তাঁর পুত্র রানাঘাট সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি শুভঙ্কর সিংকে ইঙ্গিত করলেন মদন?‌

আবার বিতর্কিত মন্তব্য করলেন মদন মিত্র। কামারহাটির বিধায়কের মন্তব্যের জেরে প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ সরাসরি নদিয়া জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের তিনি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। বুধবার হরিণঘাটা শহর আইএনটিটিইউসি’‌র উদ্যোগে রক্তদান শিবিরে যোগ দিয়ে মদন মিত্রের দাবি, ‘‌নদিয়া জেলায় যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা কার কী করেছেন আমি জানি না। তবে তাঁরা নিজেদের পকেটটা বড্ড ভারী করে ফেলেছেন।’‌

ঠিক কী বলছে বিজেপি?‌ মদন মিত্রের এই মন্তব্যে জোর আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এই বিষয়ে রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘‌উনি ঠিক কথাই বলেছেন। বাস্তবটা উনি জানেন। আর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় তিনি জানেন, কাটমানির টাকা কোথায় কোথায় গিয়েছে, কে কত খেয়েছে।’‌ তৃণমূল কংগ্রেসের রানাঘাট সাংগঠনিক জেলা সভানেত্রী রত্না ঘোষ বলেন, ‘‌উনি ওঁর কথা বলেছেন। এই বিষয় নিয়ে আমি কী বলব!’‌

ঠিক কী বলেছেন মদন মিত্র?‌ মদন মিত্র কারও নাম না করে বলেন, ‘‌সিংহ গ্রামে থাকলেই সিংহ হওয়া যায় না। কর্মীদের হতে দিন। কৃষকের ঘরে ভোটটা থাকে, টেন্ডারের কাগজের মধ্যে ভোট থাকে না। নদিয়া জেলায় যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা কার কী করেছেন আমি জানি না। তবে তাঁরা নিজেদের পকেটটা বড্ড ভারী করে ফেলেছেন।’‌ প্রশ্ন উঠছে, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা শংকর সিং বা তাঁর পুত্র রানাঘাট সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি শুভঙ্কর সিংকে ইঙ্গিত করলেন মদন?‌

আর কী বলেছেন কামারহাটির বিধায়ক?‌ একুশের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে মদন বলেন, ‘‌নদিয়ায় হারিয়ে যাওয়া আমাদের যে আটটা আসন, তার জন্য আমরা অত্যন্ত অনুশোচনায় ভুগছি। পঞ্চায়েতে এই আসন আমাদের ফেরত দিন। তৃণমূল কংগ্রেসের উপর রাগ করে বা স্থানীয় কারও উপর ব্যক্তিগত রাগ করে দলকে দূরে ঠেলে দেবেন না।’‌

বন্ধ করুন