বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা অর্পিতার, ‘আমি কিচ্ছু জানি না’, বললেন সৌগত
অর্পিতা ঘোষ। (ফাইল ছবি)
অর্পিতা ঘোষ। (ফাইল ছবি)

রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা অর্পিতার, ‘আমি কিচ্ছু জানি না’, বললেন সৌগত

  • তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন উপ-রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু।

রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী অর্পিতা ঘোষ। ইতিমধ্যে তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন উপ-রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু। তবে ঠিক কী কারণে তিনি ইস্তফা দিয়েছেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা আছে। মুখ খোলেননি অর্পিতা।

তবে তৃণমূলের একাংশের দাবি, দলের নির্দেশেই ইস্তফা দিয়েছেন অর্পিতা। কিন্তু কেন আচমকা অর্পিতাকে সাংসদ পদ ছাড়তে বলা হল? বিশেষত সদ্যই শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ তথা প্রাক্তন কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেবকে রাজ্যসভার একটি ফাঁকা আসনের জন্য মনোনীত করেছে তৃণমূল। সেই পরিস্থিতিতে কেন আরও একটি আসন ফাঁকা করছে ঘাসফুল শিবির? তৃণমূলের একটি অংশের দাবি, দলের সাংগঠনিক কাজে অর্পিতাকে আরও বেশি করে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে বসানো হবে। সেদিকেই যাতে তিনি মনোযোগ দিতে পারেন, সেজন্য অর্পিতাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। পুরোপুরি দলগত কারণে পদত্যাগ করেছেন তিনি। যিনি গত বছর রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন। মেয়াদ ছিল ২০২৬ সাল পর্যন্ত।

বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘আমি কিচ্ছু জানি না। অর্পিতা ঘোষকে ফোন করলাম। কিন্তু ধরেননি। আমি দুঃখিত। অর্পিতা খুব ভালো মেয়ে। রাজ্যসভায় খুব ভালো কাজ করছিলেন। কেন পদত্যাগ করলেন, জানা নেই। ব্যক্তিগত কারণ হলে কিছু বলার নেই।’ তবে অর্পিতার সাংসদ পদ ছেড়ে দেওয়ার কারণ রাজনৈতিক নয় বলেই মনে করছেন সৌগত।

তবে একটি অংশের প্রশ্ন, অর্পিতার সাংসদ পদ ত্যাগের পিছনে দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূলের কোনও সমীকরণ নেই তো? সেইসঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগের কথাও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে ওই মহল। ওই অংশের বক্তব্য, বিধানসভা ভোটের আগে এমন কিছু কাজ করেছিলেন অর্পিতা, যাতে খুশি ছিল না তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তার জেরেই কি কোপ পড়ল অর্পিতার উপর? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে ওই মহল।

বন্ধ করুন