বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বিদ্যুৎ ছিন্ন করে ট্রান্সফর্মারে তালা দিলেন তৃণমূল সদস্যা, অন্ধকারে ঢুবল গ্রাম
তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যা কাজল মণ্ডল তালা দিচ্ছেন ট্রান্সফর্মারে।
তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যা কাজল মণ্ডল তালা দিচ্ছেন ট্রান্সফর্মারে।

বিদ্যুৎ ছিন্ন করে ট্রান্সফর্মারে তালা দিলেন তৃণমূল সদস্যা, অন্ধকারে ঢুবল গ্রাম

  • তারপরই সন্ধ্যে নামতেই গোটা এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গ্রামবাসীরা পুলিশে খবর দেন।

নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যা। আর এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ‘‌আমার বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই। তাই এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।’‌ এই কথা বলে সোচ্চার হয়ে এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন করে ট্রান্সফর্মারে তালা লাগিয়ে দিলেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস পঞ্চায়েত সদস্যা। আর তাতেই গোটা এলাকায় ঢি ঢি পড়ে গিয়েছে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস সদস্যার এই কাজের জেরে অন্ধকারে ডুবে গেল উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার নতুনগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা!

ঠিক কী ঘটেছে গ্রামে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূল কংগ্রেস পঞ্চায়েত সদস্যা কাজল মণ্ডলের বাড়িতে লোডশেডিং হয়। তাতে তিনি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন। তার জেরে গোপালনগর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের সদস্যা ট্রান্সফর্মারে তালা লাগিয়ে দেন। তারপরই সন্ধ্যে নামতেই গোটা এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গ্রামবাসীরা পুলিশে খবর দেন।

গ্রামবাসীদের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। শুরু হয় ট্রান্সফর্মার খোলার কাজ। বেশি রাতে ট্রান্সফর্মারের তালা খুললেও বিদ্যুৎ চালু করতে ব্যর্থ হয় তাঁরা। তখন বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বাসিন্দারা। এভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা যায় না বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন গ্রামবাসীরা। এই ঘটনা নিয়ে মুখ খোলেননি কাজল মণ্ডল।

তবে এই পঞ্চায়েত সদস্যা নিজেই যে ট্রান্সফর্মারে তালা লাগিয়েছেন তার ছবি ধরা পড়েছে। তার জেরেই প্রায় ১৫০ পরিবারকে অন্ধকারে থাকতে হয়েছে। এমনকী স্থানীয় গ্রামবাসীরা অবস্থান–বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান শঙ্কর দত্ত বলেন, ‘‌আইনের বাইরে গিয়ে কেউ কাজ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’‌

বন্ধ করুন