বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'চোখে ইঞ্জেকশন নিয়ে নতুন দৃষ্টি পান মুকুলদা', কুণালের ‘প্রার্থনা’-য় শুরু জল্পনা
তখন সুখের দিন। ২০১২ সালে একই মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায় এবং কুণাল ঘোষ (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)
তখন সুখের দিন। ২০১২ সালে একই মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায় এবং কুণাল ঘোষ (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)

'চোখে ইঞ্জেকশন নিয়ে নতুন দৃষ্টি পান মুকুলদা', কুণালের ‘প্রার্থনা’-য় শুরু জল্পনা

  • কুণালের মন্তব্যে মুকুলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

তিনিই নাকি ‘মুকুল রায়’ নাটকের পরিচালক। মুখে বিজেপির সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিলেও মুকুলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে জল্পনা উসকে দিলেন কুণাল ঘোষ। বললেন, ‘আমি চাইব, চোখে ইঞ্জেকশন নিয়ে মুকুলদা নয়া দৃষ্টি নিয়ে ফিরে আসুন।’

একটা সময় রাজনীতির অন্দরে মুকুলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও কাছের লোক হিসেবে পরিচিত ছিলেন কুণাল। তারপর আদিগঙ্গা দিয়ে অনেক  জল বয়ে গিয়েছে। সারদা মামলায় জড়িয়ে জেলেও ছিলেন কুণাল। সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একাধিকবার মুখ খুলেছিলেন। পরে অবশ্য শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব কমাতে সচেষ্ট হন তিনি। রাজ্যস্তরে কুণালকে মুখপাত্রও করেছে তৃণমূল। 

আর তার আগেই রাজ্য বিজেপির ‘গোষ্ঠীকোন্দল’ চরম উঠেছে। মুকুল এবং রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের মধ্যে ‘মন কষাকষি’ চলছে বলে বিজেপি সূত্রে খবর। মুকুল পুরনো দলে ফিরবেন বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। মুকুল নিজে এবং বিজেপির তরফে সেই জল্পনা উড়িয়ে দেওয়া হলেও গুঞ্জন থামেনি। বিজেপির অন্দরের খবর, মুকুল-পর্বের পুরো কলকাঠি নাড়ছেন কুণাল।

রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ অবশ্য সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। কুণালের দাবি, তিনি এমন শক্তিশালী নন যে দল ভাঙানোর খেলায় নামতে পারবেন। তবে বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে কুণালের বক্তব্য,  বিজেপি প্রতিষ্ঠিত দল নাকি। তাহলে তাঁর মতো 'তুচ্ছ’ একজনের জন্য কীভাবে সেই দলের অন্দরে কাঁপুনি ধরে যাবে!

তবে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ মন্তব্য করেন, দীর্ঘদিন ধরেই মুকুলের সঙ্গে তাঁর পরিচিতি আছে। মুকুলের চোখের সমস্যার বিষয়েও তিনি জানেন। ‘মুকুলদা’-র দ্রুত আরোগ্য কামনা করে কুণাল বলেন, ‘আমি চাইব, মুকুলদা যেন নয়া দৃষ্টিশক্তি নিয়ে নতুনভাবে ফিরে আসেন।’ কুণালের সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তাহলে কি  বিজেপিতে ‘ব্রাত্য’ মুকুলকে তৃণমূলে ফেরানোর বার্তা দিচ্ছেন কুণাল? নাকি আগামী বছর বিধানসভা ভোটের আগে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছেন তিনি? আপাতত সেইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে রাজনৈতিক মহল।

বন্ধ করুন