বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > তিন মাস পরই গোয়ায় ফুটবে ঘাসফুল, হুঙ্কার অভিষেকের
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

তিন মাস পরই গোয়ায় ফুটবে ঘাসফুল, হুঙ্কার অভিষেকের

দলীয় সূত্রে খবর, গোয়ায় ‘‌জনতার মার্কসশিট’‌ কর্মসূচির অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে এই কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি।

তিন মাস পর গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসই ক্ষমতায় আসবে। দিনহাটার সভায় দাঁড়িয়ে এই কথাই শোনা গেল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়।

কয়েকদিন আগে খড়দহে নির্বাচনী প্রচারে এসে রাজ্যের বাইরে সংগঠন বিস্তারের কথা জানিয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার আরও এক কদম এগিয়ে গোয়ায় তৃণমূল আগামী বিধানসভায় যে ক্ষমতা দখল করবে, সেকথাও জানিয়ে দিলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে অভিষেক জানান, ‘‌আমরা ত্রিপুরায় গিয়েছি। গোয়াতেও ঢুকেছি। আরও ৫ থেকে ৭টা রাজ্যে যাব। এটা কী মাস?‌ অক্টোবর। সামনের নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি। হাতে তিন মাস সময় আছে। দল আমায় দায়িত্ব দিয়েছে। তিন মাসে গোয়ায় জোড়াফুল ফুটবে।’‌ একইসঙ্গে অভিষেক জানান, তিন মাসে অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যে আমরা যাব। বাংলা পথ দেখিয়েছে। এবার দেশকে পথ দেখাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তৃণমূলের যে ফারাক রয়েছে, সে কথা উল্লেখ করে অভিষেক জানান, দেশে বহু রাজনৈতিক দল আছে। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম যদিও খাতায় কলমে রাজনৈতিক দল, মাঠে ময়দানে নেই। জিরো। এনসিপি জাতীয় দল, তৃণমূলও জাতীয় দল।

তৃণমূল সূত্রে খবর, গোয়ায় ‘‌জনতার মার্কশিট’‌ কর্মসূচির অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে এই কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি। দলের তরফে টুইটে জানানো হয়েছে, ‘৪দিন আগেই জনতার চার্জশিট কর্মসূচি করার অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। সোমবার বিকেলে ওই কর্মসূচির ছিল। কিন্তু কিন্তু শেষ মুহূর্তে হঠাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে তা বাতিল করা হয়। তৃণমূলের প্রতি মানুষের ভালবাসা দেখে গোয়ার সরকার সম্ভবত বিচলিত হয়ে পড়েছে।’‌

বন্ধ করুন