বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > প্রতিষ্ঠা দিবসেই খুলল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ইউনিট, বিশ্বভারতীতে অনুব্রতর নির্দেশ
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)
বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য ফেসবুক)

প্রতিষ্ঠা দিবসেই খুলল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ইউনিট, বিশ্বভারতীতে অনুব্রতর নির্দেশ

  • আর আজ সেই নির্দেশ মতোই বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা সংগঠন খোলা হয়েছে বলে দলের ছাত্র নেতারা জানিয়েছেন।

আজ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আর আজকের দিনেই অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই বিশ্বভারতীতে ছাত্র সংগঠনের শাখা চালু করল তৃণমূল কংগ্রেস। তিন বছর পর বিশ্বভারতীতে ফের শাখা সংগঠনের কাজ শুরু করল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। গত ৩ বছর ধরে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের কোনও আন্দোলনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ যুক্ত ছিল না। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে স্টেট ব্যাঙ্কের পাশে সংগঠনের পতাকা তুলে শাখা সংগঠনের কাজ শুরু করে দিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মীরা।

কয়েকদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, এবার আমরা বিশ্বভারতীতে ঢুকে অনুষ্ঠান করব। বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর দেখানো পথেই আমাদের দলের ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা হাঁটবে। আর আজ সেই নির্দেশ মতোই বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা সংগঠন খোলা হয়েছে বলে দলের ছাত্র নেতারা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার এসেছিলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। তখন তাঁকে নিয়ে তড়িঘড়ি অনুষ্ঠান করেছিলেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। অনুব্রতর দাবি ছিল, বিশ্বভারতীতে গৈরিকীকরণের চেষ্টা চালাচ্ছেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। তারই প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসকেও রাজনীতিতে নামতে হবে। এমনকী, উপাচার্যকেও ঘেরাও করে রাখারও নিদান দিয়েছিলেন তিনি। ইতিমধ্যেই শুক্রবার রাত থেকে এখনও পর্যন্ত উপাচার্যের বাংলো ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। ১২ ঘন্টা পার হয়ে গিয়েছে ঘেরাওয়ের। আজ নতুন করে ইউনিট গঠনের পরই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বার্তা, উপাচার্য যেভাবে গেরুয়া রাজনীতির প্রভাব বিস্তার করতে চাইছেন, তার প্রতিবাদে রুখে দাঁড়াবে তারা।

এদিকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন পড়ুয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তার জেরে বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় দফতর ঘেরাও করেন পড়ুয়ারা। এই বিক্ষোভ তুলতে হাতাহাতি বেঁধে যায় বিশ্বভারতীর নিরাপত্তাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। পড়ুয়ারা অভিযোগ তোলেন, বিশ্বভারতী নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের গায়ে হাত তুলেছে। উপাচার্যের আপ্ত সহায়কের গাড়ি দাঁড় করিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চান পড়ুয়ারা। তখন তিনি পড়ুয়াদের গাড়ি চাপা দিতে উদ্যত হন বলে অভিযোগ। তাই রাতেই উপাচার্যের বাড়ি ঘেরাও করা হয়।

এই বিষয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‌পশ্চিমবাংলায় শিক্ষা ব্যবস্থার যেমন অন্তর্জলি যাত্রা হয়ে গিয়েছে। আইন শৃঙ্খলারও তেমনই অবস্থা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটা গুন্ডামি করার জায়গা নয়। রাজনীতি করার জন্য নয়। আমাদের কাছে শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী একটা গর্বের বিষয়। সারা দুনিয়ায় বিখ্যাত। কবি গুরুর নাম জড়িয়ে রয়েছে।’‌

বন্ধ করুন