বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > উঠে গেল নিষেধাজ্ঞা, রুপোলি শস্যের খোঁজে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেবে ট্রলার
সাগরে পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষায়

উঠে গেল নিষেধাজ্ঞা, রুপোলি শস্যের খোঁজে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেবে ট্রলার

  • মৎসজীবীরা জানান, ‘‌দুই বছর মাছ হয়নি। এই বছরও যদি মাছ না হয়, তাহলে তো আমরা ট্রলার বের করতে পারব না। আশা করছি এই বছর মাছ হবে।’‌

‌আজ থেকে উঠে যাচ্ছে সমুদ্রে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা। আগামীকাল থেকে ইলিশ ধরতে ফের ট্রলার গভীর সমদ্রে যাবে। গত বছর ইলিশ তেমনভাবে জালে ধরা না পড়লেও চলতি বছরে আশায় বুক বাঁধছেন মৎসজীবীরা।

জানা গিয়েছে, গত দুই বছরে ব্যবসা প্রচণ্ড মার খেয়েছে। যত ট্রলার গভীর সমুদ্রে যায়, তার মধ্যে মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ট্রলার গভীর সমুদ্রে যাওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে। তবে মূল্যবৃদ্ধি যেভাবে মাথাচাড়া দিয়েছে, তাতে অনেক ট্রলারই গভীর সমুদ্রে যাওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে পারেনি। এবারে পর্যাপ্ত জালে ধরা পড়বে?‌ সেই প্রশ্নের উত্তরে হরবন্ধু দাস নামে এক মৎসজীবী জানান, ‘‌কী দেয় না দেয় জানি না। চেষ্টা করব। ঠাকুরের নাম নিয়ে গভীর সমুদ্রে যাত্রা শুরু করব। পুবালি হাওয়া দিচ্ছে, সেইসঙ্গে বৃষ্টিও যদি ভালো হয়, তাহলে ভালোই ইলিশ উঠবে বলে আশা করি। এই মাছ ধরার ওপরই আমাদের সংসার চলে।’‌ একইসঙ্গে মৎসজীবীরা জানান, ‘‌দুই বছর মাছ হয়নি। এই বছরও যদি মাছ না হয়, তাহলে তো আমরা ট্রলার বের করতে পারব না। আশা করছি এই বছর মাছ হবে।’‌

গভীর সমুদ্রে যাওয়ার আগে ট্রলারগুলিকে প্রস্তুত করে ফেলেছেন মৎসজীবীরা। চলতি মরশুমে ব্যবসা যাতে ভালো হয়, সেই মঙ্গল কামনায় পুজো দেন মৎসজীবীরা। শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেই নয়, দীঘার মোহনাতেও প্রতি বছর ইলিশ ধরাকে কেন্দ্র করে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়। রাজ্য সরকারের তরফেও অবশ্য ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ফারাক্কা ব্যারেজে কৃত্তিম জলাধার তৈরি করে ইলিশ চাষের ওপর গবেষণা চালানো হচ্ছে।

বন্ধ করুন