বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > প্রখর রোদের মধ্যেই চাষের কাজ, তাপ প্রবাহের জেরে সানস্ট্রোকে মৃত্যু ২ কৃষকের
পূর্ব বর্ধমানে মৃত্যু ২ কৃষকের। প্রতীকী ছবি।
পূর্ব বর্ধমানে মৃত্যু ২ কৃষকের। প্রতীকী ছবি।

প্রখর রোদের মধ্যেই চাষের কাজ, তাপ প্রবাহের জেরে সানস্ট্রোকে মৃত্যু ২ কৃষকের

  • মৃতদের নাম বাদল বিশ্বাস এবং তপন সাঁতরা। বাদল বিশ্বাস কৃষ্ণদেবপুরের হালদার পাড়ার বাসিন্দা এবং তপন সাঁতরা কালনার নাদনঘাটের জাকরের বাসিন্দা। দুজনকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। 

গত কয়দিন ধরে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চলছে গ্রীষ্মের দাবদাহ। গতকাল অবশ্য কিছু জেলায় কালবৈশাখী দেখা দেওয়ায় কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন মানুষ। কিন্তু, তার আগে তাপপ্রবাহের জেরে সানস্ট্রোকে মৃত্যু হয়ে গেল দুই ব্যক্তির। দুই জনেই পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা। মৃতরা পেশায় কৃষক। মৃতদের নাম বাদল বিশ্বাস এবং তপন সাঁতরা। বাদল বিশ্বাস কৃষ্ণদেবপুরের হালদার পাড়ার বাসিন্দা এবং তপন সাঁতরা কালনার নাদনঘাটের জাকরের বাসিন্দা। দুজনকে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

তাপপ্রবাহের পরিস্থিতিতে আবহাওয়াবিদরা তীব্র রোদের মধ্যে বাইরে বেশিক্ষণ না থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু, ওই দুজন চাষের কাজের জন্য যুক্ত হওয়ায় দীর্ঘক্ষণ রোদের মধ্যে বাইরে ছিলেন। তারফলে সানস্ট্রোকে আক্রান্ত হন তারা। তীব্র গরমে ডিহাইড্রেশনের ফলে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে সানস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে কলকাতার এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছিল। বমির সঙ্গে মাথাব্যথা এবং শ্বাসকষ্ট হয়েছিল ওই ছাত্রীর। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, ওই দিনই তীব্র গরমে উত্তরপাড়া স্টেশনে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এক প্রৌঢ় । তাকে উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে জানিয়েছিলেন। একই দিনে বাড়িতেই গরমের জেরে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল হাওড়ার এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলার। পাশাপাশি গত কয়েকদিনে গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকেই। তার মধ্যে একাধিক স্কুলের পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে খবর।

বন্ধ করুন