বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > আসানসোল জুড়ে পানীয় জলের হাহাকার, জলের তোড়ে পাইপ ভেঙে নির্জলা শিল্পনগরী
নির্জলা ছাকতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। ছবি (‌সৌজন্য পিটিআই)‌ (PTI)
নির্জলা ছাকতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। ছবি (‌সৌজন্য পিটিআই)‌ (PTI)

আসানসোল জুড়ে পানীয় জলের হাহাকার, জলের তোড়ে পাইপ ভেঙে নির্জলা শিল্পনগরী

  • সুতরাং এখন পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নির্জলা ছাকতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। এই জলশূন্য হয়ে পড়া এলাকাগুলিতে ট্যাঙ্ক পাঠানো হচ্ছে।

একে তো বানভাসী অবস্থায় দিন কেটেছে। যদিও বা একটু জল নেমেছে তখন আবার জল নতুন বিপত্তি এসে হাজির। নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে এখানে বানভাসী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তার জেরে আসানসোলের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের পাইপ ভেঙে ভেসে গিয়েছে। আসানসোল, রানিগঞ্জ, বার্নপুর, কুলটি–সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় এই ছবি দেখা গিয়েছে। সুতরাং এখন পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নির্জলা ছাকতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। এই জলশূন্য হয়ে পড়া এলাকাগুলিতে ট্যাঙ্ক পাঠানো হচ্ছে।

মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং ডিভিসির জল ছেড়ে দেওয়ায় গ্রামের পর গ্রাম ভেসে গিয়েছে। জলবন্দি হয়ে থাকতে হয়েছে টানা চারদিন। তবে এখন খানিকটা পরিস্থিতি পাল্টেছে আসানসোলে। কিন্তু পানীয় জলের পাইপ ফেটে ভেসে যাওয়ায় সেখানে মেরামতির কাজ চলছে। রাস্তাঘাটের অবস্থাও বেহাল হয়ে পড়েছে। রানিগঞ্জের বাইপাসে একটি কালভার্ট জলের তোড়ে ভেঙে গিয়েছে।

এই বিষয়ে আসানসোলের পুর প্রশাসক অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘প্রকৃতির কাছে মানুষ অসহায়। তবে দ্রুত ছন্দে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। জলের পাইপলাইনের কাজ চলছে। রাস্তা সারানোর কাজও চলছে। চেষ্টা করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার।’‌ ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমায় দামোদরের জলস্তর কমেছে।

উল্লেখ্য, সমস্ত গ্রাম থেকে বন্যার জল এখন নামতে শুরু করেছে। আর তাতেই প্রকাশ্যে এসেছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার চিত্র। গ্রামের বাসিন্দাদের ঘর জলে ডুবে গিয়েছিল। এখন দেখা যাচ্ছে পানীয় জলের হাহাকার। পুরসভার পক্ষ থেকে জলের ট্যাঙ্ক পাঠিয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু এত বড় এলাকায় এভাবে কী জল সরবরাহ করা সম্ভব?‌ উঠেছে প্রশ্ন।

বন্ধ করুন