বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > চাষযোগ্য হয়নি জমি, টাটা কারখানার জায়গায় হচ্ছে মাছের ভেড়ি
প্রতীকি ছবি

চাষযোগ্য হয়নি জমি, টাটা কারখানার জায়গায় হচ্ছে মাছের ভেড়ি

  • শনিবার থেকে সিঙুরের টাটা প্রকল্পের জমিতে শুরু হয়েছে ভেড়ি খননের কাজ। বড় বড় যন্ত্র দিয়ে দ্রুত চলছে কাজ। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য দুধকুমার ধাড়া জানান, ‘যাদের তিন বিঘার ওপরে জমি রয়েছে তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

চাষযোগ্য করে তোলা যায়নি টাটা প্রকল্পের জমি। সিঙুরে প্রকল্পের জমিতে ভেড়ি খনন শুরু করল রাজ্য সরকার। উৎসাহী চাষিদের বিনামূল্যে ভেড়ি খনন করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। সঙ্গে ৩ বছর বিনামূল্যে দেওয়া হবে মাছের চারা, খাবার ও ওষুধ। চাষিদের কথায়, চাষ যখন হলো না, ভেড়িই সই।

শনিবার থেকে সিঙুরের টাটা প্রকল্পের জমিতে শুরু হয়েছে ভেড়ি খননের কাজ। বড় বড় যন্ত্র দিয়ে দ্রুত চলছে কাজ। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য দুধকুমার ধাড়া জানান, ‘যাদের তিন বিঘার ওপরে জমি রয়েছে তারা অগ্রাধিকার পাবেন। বিনামূল্যে পুকুর খনন করে দেবে মৎস্য দফতর। তাদের ৩ বছর মাছের চারা, খাবার ও ওষুধও দেবে তারা। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে জল ধরো, জল ভরো প্রকল্পেরও সাহায্য নেওয়া হবে।’

সিঙুরে কারখানার জমিকে চাষযোগ্য করতে তুলতে না পারাতেই এই উদ্যোগ? দুধকুমারবাবু বলেন, ‘কারখানার জমির মধ্যে বহু নীচু জায়গা রয়েছে। সেখানে সারা বছর চাষ সম্ভব নয়। সেই সব জমিতে ভেড়ি খনন হবে। জমি চাষযোগ্য হয়নি এই অভিযোগ ঠিক নয়।’

যদিও ভেড়ির জন্য আবেদন করেছেন এমন এক চাষি বলেন, ‘জমি তো চাষযোগ্য হল না। তাই মাছ চাষেই সম্মতি দিয়েছি। জমি ফেলে রেখে তো কোনও লাভ নেই...’

 

বন্ধ করুন