বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > কারা পাবেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা? নির্দেশিকা জারি রাজ্য সরকারের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

কারা পাবেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা? নির্দেশিকা জারি রাজ্য সরকারের

  • নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মতো জুলাই মাসেই এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শুরু হচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মতো জুলাই মাসেই এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের ১.৬ কোটি পরিবারের মহিলারা পাবেন মাসিক হাতখরচ। জেনারেল ক্যাটেগরির মহিলারা পাবেন মাসিক ৫০০ টাকা এবং সংরক্ষিত ক্যাটেগরির মহিলারা পাবে মাসিক ১০০০ টাকা। সেই প্রকল্পের নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের শিশু সুরক্ষা ও পরিবার কল্যাণ দফতর। গত ৩০ জুলাই নির্দেশিকা জারি হয়েছে। সেখানেই উল্লেখ করা হয়েছে যে কারা কারা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন।

শিশু সুরক্ষা ও পরিবার কল্যাণ দফতরের দারি করা নির্দেশিকাতে জানানো হয়েছে যে যাঁরা ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন সেই সব মহিলারা লক্ষীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন। তবে যদি আবেদনকারীর স্বাস্থ্যসাথী বা আধার কার্ড না থাকে তাঁকে প্রথমে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হবে। এর জন্যে সেই মহিলার বয়স ২৫ থেকে ৬০ এর মধ্যে হতে হবে। যাঁরা পেনশনভোগী, তাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলেই জানানো হয়েছে। যোগ্য মহিলা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা জমা পড়বে। এক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক থাকতে হবে।

তবে সরকারি কর্মচারী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কেন্দ্রের ও রাজ্যের, কোনও স্বশাসিত সংস্থা, সরকারি নিয়ন্ত্রিত কোনও সংস্থা, পঞ্চায়েত, মিউনিসিপালিটি, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, সরকারি স্কুল গুলির ক্ষেত্রে বা যদি কেউ নিয়মিত বেতন বা পেনশন পান তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না। সরকারি আধিকারিকরা আবেদন গুলোকে যাচাই করবে। গ্রামাঞ্চলে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার এবং শহরাঞ্চলে সাব ডিভিশনাল অফিসাররা আবেদনপত্রগুলিকে খতিয়ে দেখবেন।

শুক্রবারই মুখ্যসচিব রাজ্য শাসকদের সঙ্গে লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে বিস্তারিত বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে রাজ্য বাজেটে পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, রাজ্যের মহিলাদের জন্যই এই নতুন প্রকল্প চালু করা হবে। এর জন্য আগেই বাজেট বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। রাজ্যের দাবি, এতে অন্তত ১.৬ কোটি পরিবার উপকৃত হবে। আনুমানিক খরচ প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা।

বন্ধ করুন