বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > গান্ধীজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে ধনখড়কে ‘নৈরাজ্যপাল’ বলে আক্রমণ মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

গান্ধীজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে ধনখড়কে ‘নৈরাজ্যপাল’ বলে আক্রমণ মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর

  • পালটা প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যপাল বলেন, ‘রাজভবনকে বাদ দিয়ে আত্মসমীক্ষা করা উচিত সরকারের। রাজ্যপালকে অপমান করা মানে ভারতের সংবিধানকে অপমান করা।’

গান্ধীজয়ন্তীতেও বিরাম পড়ল না রাজ্য – রাজ্যপাল সংঘাতে। বারাকপুরের গান্ধীঘাটে সরকারি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে বেনজির আক্রমণ করলেন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এদিন তিনি রাজ্যপালকে ‘নৈরাজ্যপাল’ বলে কটাক্ষ করেন। যা নিয়ে পালটা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যপালও। 

এদিন গান্ধীঘাটে গান্ধিজয়ন্তী পালনের অনুষ্ঠানে ব্রাত্য বসু রাজ্যপালের উদ্দেশে বেনজির আক্রমণ শানান। বলেন, ‘উনি কী সব বলছেন ভাসা-ভাসা, ঘোলা-ঘোলো... কেন উনি এসব বলে ওনার নামের আগে একটা ‘নৈ’ বসাচ্ছেন। বসিয়ে তার নাম ‘নৈরাজ্যপাল’ করছেন সেটা আমরা ধরতে পারছি না।‘ ব্রাত্যর দাবি, ‘উনি রাজনৈতিক মুখপাত্র হিসাবে যা যা বলার সে সব তো বলেই চলেছেন।‘

পালটা প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যপাল বলেন, ‘রাজভবনকে বাদ দিয়ে আত্মসমীক্ষা করা উচিত সরকারের। রাজ্যপালকে অপমান করা মানে ভারতের সংবিধানকে অপমান করা।’

বিশিষ্টদের মতে, রাজ্যপাল রাজ্যে সংবিধানের প্রতিভূ। তাই ব্যক্তি রাজ্যপালের সমালোচনা করতে গিয়ে কখনো এমন কোনও মন্তব্য করা উচিত নয় যাতে রাজ্যপালের পদমর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ব্রাত্য বসু আজ সেকাজই করেছেন। তাও আবার গান্ধীজয়ন্তীর সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে।

 

বন্ধ করুন