বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বিয়ের ২০ বছর পরে প্রেমিকের বাইকে বসে চলে গেলেন মহিলা, কালনায় আত্মহত্যা স্বামীর
বিয়ের ২০ বছর পরে প্রেমিকের বাইকে বসে 'টাটা' মহিলার, কালনায় আত্মহত্যা স্বামীর (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
বিয়ের ২০ বছর পরে প্রেমিকের বাইকে বসে 'টাটা' মহিলার, কালনায় আত্মহত্যা স্বামীর (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

বিয়ের ২০ বছর পরে প্রেমিকের বাইকে বসে চলে গেলেন মহিলা, কালনায় আত্মহত্যা স্বামীর

তাতে লেখা, ‘‌আমার মৃত্যুর জন্য এই বাড়ি বা কেউ দায়ী নয়। আমি স্বেচ্ছায় লজ্জায় অপমানে এই পথ বেছে নিতে বাধ্য হলাম।’‌

নিজের চোখের সামনে স্ত্রী'কে প্রেমিকের সঙ্গে মোটরবাইকে করে চলে দেখলেন স্বামী। এরপরই অপমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হলেন স্বামী। এমনই দাবি করা হল। ঘটনাটি ঘটেছে কালনার সাহাপুর এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে খবর, আত্মঘাতী ওই যুবকের নাম সুদেব দে। মঙ্গলবার সকালে শ্বশুরবাড়ির চিলেকোঠা থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। কালনায় সুদেবের শ্বশুরবাড়ি। সেখানেই আত্মহত্যা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, সুদেব চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। সুদেব বাঘনাপাড়ার বাসিন্দা। কালনার বাসিন্দা টুম্পার সঙ্গে ২০ বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের ১৮ বছরের একটি মেয়েও আছে। পুলিশ জানতে পেরেছে, সুদেব যখন কালীপুজোর সময়ে বাড়ি এসেছিলেন, তখনই নাকি টুম্পা প্রেমিকের সঙ্গে একবার পালিয়ে গিয়েছিলেন। পরে স্বামী-সহ পরিবারের লোকজনরা টুম্পাকে বুঝিয়ে নিয়ে আসেন। কিন্তু এরপরও নানা কারণে পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকত।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সুদেব অনেক চেষ্টা করেছিলেন যাতে স্ত্রী তাঁর সঙ্গে থাকে। কিন্তু লাভ কিছু হয়নি। সোমবার বিকেলে প্রেমিকের সঙ্গে বাইকে করে ফের বেরিয়ে যান টুম্পা। যাওয়ার সময় সুদেববাবুর উদ্দেশে হাত নাড়তে নাড়তে চলে যান তিনি। পরিবারের দাবি, নিজের চোখের সামনে স্ত্রী'কে এভাবে চলে যেতে দেখে অপমানিত বোধ করেন তিনি। সোমবার রাতে শ্বশুরবাড়িতেই আত্মহত্যা করেন সুদেব। মেয়ের জন্য একটি সুইসাইড নোট লিখে রেখে যান। তাতে লেখা, ‘‌আমার মৃত্যুর জন্য এই বাড়ি বা কেউ দায়ী নয়। আমি স্বেচ্ছায় লজ্জায় অপমানে এই পথ বেছে নিতে বাধ্য হলাম।’‌ সুইসাইড নোটে মেয়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন সুদেব। জামাইয়ের এই আত্মহত্যার জন্য তাঁর মেয়েকেই দায়ী করেছেন টুম্পার পরিবারের লোকেরা।

বন্ধ করুন