বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'ধর্ষণের' পর বাধ ভাঙল ধৈর্যের, মহেশতলায় মদ ও জুয়ার ঠেক ভেঙে দিলেন মহিলারাই
'ধর্ষণের' পর বাধ ভাঙল ধৈর্যের, মহেশতলায় মদ ও জুয়ার ঠেক ভেঙে দিলেন মহিলারাই। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
'ধর্ষণের' পর বাধ ভাঙল ধৈর্যের, মহেশতলায় মদ ও জুয়ার ঠেক ভেঙে দিলেন মহিলারাই। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

'ধর্ষণের' পর বাধ ভাঙল ধৈর্যের, মহেশতলায় মদ ও জুয়ার ঠেক ভেঙে দিলেন মহিলারাই

এক মহিলাকে যৌন নিগ্রহ করে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

‌এলাকায় মদ ও জুয়ার ঠেকে অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল স্থানীয় বাসিন্দারা। এবার প্রশাসনের উপর ভরসা না করে মদ ও জুয়ার ঠেক ভাঙতে এগিয়ে এলেন এলাকার প্রমীলা বাহিনী। তাঁদের নিয়ন্ত্রণে আনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। ভবিষ্যতে যাতে এভাবে মদ ও জুয়ার ঠেক গজিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনের তরফে আশ্বাস মিলেছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার ভোরে মহেশতলার ১১ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায়। এক মহিলাকে যৌন নিগ্রহ করে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় দুষ্কৃতীদের দাপট বেড়ে গিয়েছে। এলাকায় মদ ও জুয়ার ঠেক গজিয়ে ওঠার জন্যই দুষ্কৃতীদের দাপাদাপি বেড়েছে। অনেকদিন ধরেই স্থানীয় বাসিন্দাদের চোখে এই ধরনের ঘটনা নজরে আসছিল। কিন্তু গত শনিবার ভোরে এক মহিলাকে যৌন নিগ্রহ করার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপ রুখতে এগিয়ে আসেন মহিলারা। রবিবার দুপুরে এলাকায় মদ ও জুয়ার ঠেকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। সেখানে গিয়ে বিক্ষোভরত মহিলাদের বোঝানোর চেষ্টাও করে পুলিশ। কিন্তু তাঁদের শান্ত করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে মহিলাদের তর্কাতর্কি বেঁধে যায়। মহিলাদের বাগে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গত শনিবারের মহিলা নিগ্রহের ঘটনার পর পুলিশের তরফে তেমন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। সেই কারণেই এলাকার মহিলাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে যে মহিলাকে যৌন মিগ্রহ করার অভিযোগ উঠেছে, তাঁর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু এসএসকেএম থেকে আসা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, তেমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

বন্ধ করুন