বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া মেটাতে সোনার হার বন্ধক যুবতির, পুলিশের সাহায্যে টাকার একাংশ ফেরত
করোনা আক্রান্ত স্বামী, অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া মেটাতে সোনার হার বন্ধক তরুণীর। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
করোনা আক্রান্ত স্বামী, অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া মেটাতে সোনার হার বন্ধক তরুণীর। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া মেটাতে সোনার হার বন্ধক যুবতির, পুলিশের সাহায্যে টাকার একাংশ ফেরত

তা সত্ত্বেও মেলেনি হাসপাতালের বেড। এগিয়ে এলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ।

করোনা আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে বিপুল অঙ্কের ভাড়া হাঁকানোর অভিযোগ উঠেছে একশ্রেণির অ্যাম্বুল্যান্স সংস্থার বিরুদ্ধে। বারবার এই অভিযোগ তুলে আসছেন রোগীর আত্মীয়রা। এবার অ্যাম্বুল্যান্স সংস্থার তরফে ৩৩,০০০ টাকা ভাড়া দাবি করায় সোনার হার বন্ধক রেখে ভাড়া মেটাতে বাধ্য হলেন করোনা আক্রান্ত রোগীর পরিবার।

দমদমের একটি অ্যাম্বুল্যান্স সংস্থার বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলেছেন এক গৃহবধূ। তা সত্ত্বেও স্বামীকে হাসপাতালে ভরতি করতে পারেননি। অবশ্য বধূর বিষয়টি জানতে পেরে তাঁর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়। তাঁর সাহায্যে ওই রোগীকে শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালে ভরতি করানো হয়।।

জানা গিয়েছে, করোনার উপসর্গ ‌নিয়ে মেহতাব আলম আনসারি নামের ওই রোগীকে হিন্দমোটরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিস। সেখানেই তাঁর করোনা ধরা পড়ে। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাঁকে অন্যত্র স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তবে ওই এলাকায় প্রয়োজনমতো অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে দমদমের ওই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তারপর রোগীকে নিয়ে কলকাতার কয়েকটি হাসপাতালে ঘুরেও বেড না পেয়ে ফের শ্রীরামপুরে ফিরে আসে রোগীর পরিবার। তারপরেই তাঁদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে ওই সংস্থা। তবে অত টাকা না থাকায় সোনার হার বন্ধক রেখে ভাড়া দিতে বাধ্য হন ওই বধূ। পরে অবশ্য চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের মধ্যস্থতায় ওই বধূকে ২০,০০০ টাকা ফিরিয়ে দেয় সংস্থা।

অ্যাম্বুল্যান্স সংস্থার মালিক উত্তম ঘোষ বলেন, ‘‌সিসিইউ অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়া সাধারণ অ্যাম্বুল্যান্সের থেকে বেশি হয়। চিকিৎসক এবং টেকনিশিয়ান থাকেন। করোনা পরিস্থিতির জন্য অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়া বেশি হয়েছে।’‌

বন্ধ করুন