বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > সম্পত্তি হাতাতে সুপারি কিলার দিয়ে দাদাকে খুন ভাইয়ের, শ্রীরামপুরে হাড়হিম করা ঘটনা
সুপারি কিলার দিয়ে দাদাকে খুন করল ভাই।
সুপারি কিলার দিয়ে দাদাকে খুন করল ভাই।

সম্পত্তি হাতাতে সুপারি কিলার দিয়ে দাদাকে খুন ভাইয়ের, শ্রীরামপুরে হাড়হিম করা ঘটনা

  • তদন্ত করে যখন গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসে তখন চন্দননগর কমিশনারেটের হাতে গ্রেফতার হয় সুপারি কিলার। আর এই সুপারি কিলারকে জেরা করেই তথ্য পায় পুলিশ। সেই বয়ানের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয় ভাই উজ্জ্বল দাস। পুরো দোষ নিজের ভগ্নিপতির ঘাড়ে চাপিয়েছেন উজ্জ্বল। অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সম্পত্তি হস্তগত করতে সুপারি কিলার দিয়ে দাদাকে খুন করল ভাই বলে অভিযোগ। ২৫ হাজার টাকা দিয়ে সুপারি কিলার ঠিক করা হয়েছিল। তাদের দিয়েই দাদাকে খুন করার অভিযোগ উঠল ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এমনটা ঘটেছে হুগলি জেলার শ্রীরামপুরের রাজ্যধরপুরে। দিল্লি রোডের ধারে এই দাস পরিবারের বিশাল সম্পত্তি। এই খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ভাই–সহ দু’‌জন।

ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, পাঁচ ভাই ও এক বোন নিয়ে এই দাস পরিবার। তাঁদের মধ্যে একমাত্র অভিযুক্তই বিবাহিত। এক ভাইয়ের মৃত্যু আগেই হয়েছিল। আর এক ভাই অসুস্থ। এই সুযোগ নিয়ে দিল্লি রোডের ধারে কয়েক লক্ষ টাকার পারিবারিক সম্পত্তি হাতাতে চেষ্টা করছিল অভিযুক্ত। তার মধ্যেই তিনদিন আগে বাড়ির পাশে পুকুর থেকে উদ্ধার হয় বড় ভাইয়ের দেহ। খুনের অভিযোগে সুপারি কিলার ও ভাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কী করে প্রকাশ্যে এল ঘটনা?‌ পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, সবাইকে ফাঁকি দিয়ে উজ্জ্বল দাস নামে এক ভাই সম্পত্তি বিক্রির ছক কষেছিল। কিছু জমি বিক্রি করতেই দাদা গৌতম দাসের কাছে ধরা পড়ে যান উজ্জ্বল। তাই দাদাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতেই সুপারি কিলার ভাড়া করে উজ্জ্বল। ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে দাদাকে খুনের বরাত দেয় ভাই উজ্জ্বল। তারপরই গত বৃহস্পতিবার রাজ্যধরপুর পঞ্চায়েত এলাকায় একটি পুকুর থেকে গৌতম দাসের দেহ উদ্ধার হয়। জলে ডুবে মৃত্যু বলে চাউর করা হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্টে খুন বলে উল্লেখ করা হয়। তখনই তদন্ত গোটা বিষয় ফাঁস হয়ে যায়।

তারপর কী হল সেখানে?‌ তদন্ত করে যখন গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসে তখন চন্দননগর কমিশনারেটের হাতে গ্রেফতার হয় সুপারি কিলার। আর এই সুপারি কিলারকে জেরা করেই তথ্য পায় পুলিশ। সেই বয়ানের ভিত্তিতে গ্রেফতার হয় ভাই উজ্জ্বল দাস। পুরো দোষ নিজের ভগ্নিপতির ঘাড়ে চাপিয়েছেন উজ্জ্বল। অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বন্ধ করুন