বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > Balasore rail accident: বেঙ্গালুরু থেকে আর বাড়ি ফেরা হল না, রেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু নাগরাকাটার যুবকের

Balasore rail accident: বেঙ্গালুরু থেকে আর বাড়ি ফেরা হল না, রেল দুর্ঘটনায় মৃত্যু নাগরাকাটার যুবকের

শোকাহত মৃতের পরিবার। নিজস্ব ছবি

সাগর নাগরাকাটা চা বাগানের ফুটবল লাইনের বাসিন্দা ছিলেন। ডুয়ার্সের ১৪ জন গত বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু থেকে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্য ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু, শুক্রবার সন্ধ্যায় আচমকাই বালেশ্বরের কাছে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় বাকি ১৩ জন কমবেশি জখম হলেও মৃত্যু হয় সাগর খেড়িয়ার। 

ওড়িশার বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল আরও বঙ্গবাসী যুবকের। বেঙ্গালুরু থেকে বাড়ি ফেরার পথে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ডুয়ার্সের নাগরাকাটা ব্লকের এক যুবকের। মৃত যুবকের নাম সাগর খেড়িয়া (৩০)। গতকাল এলাকার কয়েকজন যুবকের সঙ্গে বেঙ্গালুরু–হাওড়া ডাউন হামসফর এক্সপ্রেসে হাওড়ায় ফিরছিলেন। সেই সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস এবং হামসফর এক্সপ্রেস। সেই দুর্ঘটনার মৃত্যু হয় ওই যুবকের। যুবকের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জানা গিয়েছে, সাগর নাগরাকাটা চা বাগানের ফুটবল লাইনের বাসিন্দা ছিলেন। ডুয়ার্সের ১৪ জন গত বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু থেকে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্য ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু, শুক্রবার সন্ধ্যায় আচমকাই বালেশ্বরের কাছে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় বাকি ১৩ জন কমবেশি জখম হলেও মৃত্যু হয় সাগর খেড়িয়ার। রাতেই ফোনে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে আহত এবং পরে মৃত্যুর খবর পায়। ঘটনার পর থেকে নির্বাক হয়ে পড়েছেন সাগরের মা ফিলবিনা খেড়িয়া। এঘটনায় নাগরাকাটা চা বাগানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকার এখন চাইছেন সরকার আহত এবং অনান্যদের সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করুক। মৃতের বোন জানান, হোটেলের কাজ করার জন্য বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন তাঁরা দাদা। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। তাঁরা ফোনে সেই খবর জানতে পারেন।

এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে সাগর খেড়িয়ার বাড়িতে পৌঁছন আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি রাজেশ লাকড়া। তিনি জানান, ‘আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশে পরিবারের খোঁজখবর নিতে এসেছি। এই দুঃসময়ে তাদের পাশে থাকার জন্য আমরা সব রকমের চেষ্টা করছি।’ অন্যদিকে, আহতদের পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঠিকমতো চিকিৎসা না করিয়েই আহতদের হাতে চেক ধরিয়ে দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে। আহতদের এ রাজ্য নিয়ে আসার পর কলকাতায় বা অন্যান্য সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন