বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > টাওয়ার গ্রুপ কেলেঙ্কারিতে পিসি সরকারের বাড়িতে সিবিআই হানা
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

টাওয়ার গ্রুপ কেলেঙ্কারিতে পিসি সরকারের বাড়িতে সিবিআই হানা

  • এছাড়া পিসি সরকার টাওয়ার গ্রুপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন বলেও দাবি গোয়েন্দাদের। সেই বাবদ তাঁকে মোটা টাকা দিয়েছে সংস্থা। ব্যাঙ্ক লেনদেন ছাড়াও নগদে লেনদেন হয়েছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

চিটফান্ড টাওয়ার গ্রুপের আর্থিক দুর্নীর তদন্তে জাদুকর পিসি সরকারের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই। শুক্রবার বেলা ১১টার কিছু পর মুকুন্দপুরে জাদুকর পিসি সরকার জুনিয়ারের বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানে দীর্ঘক্ষণ তাঁকে জেরা করেন গোয়েন্দারা। জেরার সময় সেখানে হাজির ছিলেন জাদুকরের ২ মেয়ে। সাংবাদিকরা বাড়িতে ঢুকলে তাঁদের বাধা দেন পরিবারের সদস্যরা। 

সিবিআইয়ের দাবি, টাওয়ার গ্রুপকে বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার নামে মোটা টাকা নিয়েছিলেন পিসি সরকার জুনিয়র। কিন্তু সেই পরিষেবা শেষ পর্যন্ত দেননি তিনি। এর মধ্যে টাওয়ার গ্রুপের একটি রেস্তোরাঁয় জাদুখেলা দেখানোর কথা ছিল তাঁর। সেই রেস্তোরাঁই কোনওদিন তৈরি হয়নি। অথচ সেই বাবদ আগাম মোটা টাকা পৌঁছেছে পিসি সরকারের অ্যাকাউন্টে। 

এছাড়া পিসি সরকার টাওয়ার গ্রুপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন বলেও দাবি গোয়েন্দাদের। সেই বাবদ তাঁকে মোটা টাকা দিয়েছে সংস্থা। ব্যাঙ্ক লেনদেন ছাড়াও নগদে লেনদেন হয়েছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। তবে টাকার পরিমাণ জানাননি তাঁরা।

রাজ্যে বিজেপির উত্থান পর্বের একেবারে শুরুর দিকে গেরুয়া শিবিরে যোগদেন পিসি সরকার। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে দলের প্রার্থী হন তিনি। এর পর ২০১৬ সালে টাওয়ার গ্রুপ কেলেঙ্কারিতে তাঁকে তলব করে সিবিআই। এর পর ধীরে ধীরে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে তাঁর।  

এদিন যদিও পিসি সরকারের বাড়িতে সিবিআই হানায় সুর নরম ছিল বিজেপির। দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘কার কাছে টাকা গিয়েছে তার থেকে বড় কথা হল কার কাছ থেকে টাকাটা গিয়েছে। তাদের খুঁজে টাকা ফেরানো উচিত সিবিআইয়ের।’

 

বন্ধ করুন