বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > মেডিক্যালের জীবনদায়ী ওষুধ উধাও কাণ্ডে জোড়া রিপোর্ট জমা পড়ল স্বাস্থ্য দফতরে
মেডিক্যালের জীবনদায়ী ওষুধ উধাও কাণ্ডে জোড়া রিপোর্ট জমা পড়ল স্বাস্থ্য দফতরে (ছবি সৌজন্য ফেসবুক)
মেডিক্যালের জীবনদায়ী ওষুধ উধাও কাণ্ডে জোড়া রিপোর্ট জমা পড়ল স্বাস্থ্য দফতরে (ছবি সৌজন্য ফেসবুক)

মেডিক্যালের জীবনদায়ী ওষুধ উধাও কাণ্ডে জোড়া রিপোর্ট জমা পড়ল স্বাস্থ্য দফতরে

  • রিপোর্টেই স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের স্টোর থেকে জীবনদায়ী ২৬টি টোসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন রিকুইজিশন ছাড়াই নিয়ম বহির্ভূতভাবেই সরানো হয়েছিল।

মেডিক্যালের জীবনদায়ী ওষুধ উধাও কাণ্ডের নয়া মোড়। এই ঘটনায় তদন্তের পৃথক দু’‌টি কমিটির জোড়া রিপোর্ট একসঙ্গে জমা পড়ল স্বাস্থ্য দফতরে। দু’‌টি তদন্ত কমিটির রিপোর্টেই স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের স্টোর থেকে জীবনদায়ী ২৬টি টোসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন রিকুইজিশন ছাড়াই নিয়ম বহির্ভূতভাবেই সরানো হয়েছিল। এই রিপোর্টে মহিলা মেডিক্যাল অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। রবিবার মেডিক্যাল কলেজের এই ঘটনায় জোড়া তদন্ত কমিটি, এই রিপোর্ট স্বাস্থ্য দফতরে জমা দিয়েছে।

গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে স্বাস্থ্যভবনের তরফে গোটা ঘটনা তদন্তের জন্য জোড়া তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। প্রথমটি ৭ ও দ্বিতীয়টি ৩ জনের। ঘটনার সপ্তাহখানেকের মধ্যেই এদিন জোড়া তদন্ত কমিটির রিপোর্ট একসঙ্গে জমা পড়ল স্বাস্থ্য দফতরে। এই রিপোর্ট এবার নবান্নে পাঠানো হবে।সূত্রের খবর, নিয়ম ভঙ্গে জড়িতদের কী শাস্তি দেওয়া হবে, তা ঠিক করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সম্প্রতি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যায় করোনা চিকিৎসায় ব্যবহৃত ২৬টি টোসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন। প্রায় ১০ লক্ষ টাকা দামের এই ইঞ্জেকশন বেআইনিভাবে হাতানোর অভিযোগ ওঠে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। তিনি আবার শাসক দলের এক নেতার ঘনিষ্ট বলে পরিচিত। প্রভাব খাটিয়ে কর্তব্যরত এক নার্সের কাছ থেকে ওই ইঞ্জেকশন হাতানোর অভিযোগ তুলকালাম কাণ্ড ঘটে যায়। 

এই সংক্রান্ত একটি ফোনালাপের অডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। স্বল্প ব্যবধানে কয়েক দফায় অভিযুক্ত চিকিৎসক কর্তব্যরত নার্সিং ইনচার্জের কাছ থেকে প্যাথলজি বিভাগের নমুনা পরীক্ষার ফর্মে ‘ভুয়ো প্রেসক্রিপশন’ তৈরি করে ওই ইঞ্জেকশন তোলেন বলে অভিযোগ। নার্সের বারবার জিজ্ঞাস করাতে ওই চিকিৎসক তাঁকে কিছু নথি জমা দেন। পরে দেখা যায়, সেগুলো প্যাথলজি বিভাগের নমুনা পরীক্ষার ফর্ম। সেগুলো জমা দিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ওই ওষুধ তুলে নেওয়া হয়। এই ঘটনার পরেই সাত ও তিন সদস্যের পৃথক দু’‌টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বন্ধ করুন