বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > মদ্যপ যুবকদের হাতে নিগৃহীতা অন্তঃসত্ত্বা, বাড়ির সামনে মদ্যপানের প্রতিবাদের জের
মদ্যপ যুবকদের হাতে নিগৃহীতা অন্তঃসত্ত্বা, বাড়ির সামনে মদ্যপানের প্রতিবাদের জের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য লাইভ হিন্দুস্তান)
মদ্যপ যুবকদের হাতে নিগৃহীতা অন্তঃসত্ত্বা, বাড়ির সামনে মদ্যপানের প্রতিবাদের জের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য লাইভ হিন্দুস্তান)

মদ্যপ যুবকদের হাতে নিগৃহীতা অন্তঃসত্ত্বা, বাড়ির সামনে মদ্যপানের প্রতিবাদের জের

  • মারধরও করা হয়েছে বলে নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এবার মদ্যপদের হাতে নিগৃহীতা হলেন এক অন্তঃসত্ত্বা এবং তাঁর শ্বশুর। এমনই ঘটনা ঘটেছে গড়িয়া এলাকায়। যা নিয়ে এখন এলাকা সরগরম হয়ে রয়েছে। বাড়ির সামনে বসানো হতো মদের আসর। সেখানে কয়েকজন যুবক মদ্যপান করত এবং নানা অশ্লীল কথাবার্তা বলত। এই ঘটনারই প্রতিবাদ করেছিলেন গড়িয়ার বাসিন্দা গৃহবধূ। অভিযোগ, তার জেরে প্রতিবাদী গৃহবধূকে এবং বৃদ্ধ শ্বশুরকে মারধর করা হয়। নেশারু যুবকরা ওই অন্তঃসত্ত্বা বধূকে ধরে টানাটানি করতে থাকে। মারধরও করা হয়েছে বলে নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

স্থানীয় সূত্রে খবর, গড়িয়ায় এই বাড়ির পাঁচিল লাগোয়া জায়গায় রোজ বসত মদের আসর। বিভিন্ন এলাকা থেকে জড়ো হতো নেশারু যুবকরা। মদ–গাঁজার আসর থেকে উঠে আসত অশ্লীল গালিগালাজ এবং নিজেদের মধ্যে অশান্তি। এলাকার অনেক মহিলাকে সেখান থেকে অশ্লীল প্রস্তাব, কটূক্তি করা হতো। এসবেরই প্রতিবাদ করেছিলেন ওই গৃহবধূ। তার জেরেই জোটে নিগ্রহ।

এদিন এই নেশার জায়গা থেকে প্রবল গালাগালি শোনা যাচ্ছিল। তখন বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করা হয়। প্রথমবার চুপ করে গেলেও পরে আবার সেখান থেকে শুরু হয় অশান্তি। তখন ফের প্রতিবাদ করেন গৃহবধূ। আর তখনই মদ্যপ যুবকরা ওই বাড়িতে চড়াও হয়ে গালিগালাজ করতে শুরু করে। গৃহবধূর শ্বশুরকে দিয়ে মারধর শুরু হয় বলে অভিযোগ। শ্বশুরকে বাঁচাতে গেলে ওই অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধরে টানাটানি করতে শুরু করে মদ্যপ যুবকরা। এমনকী গৃহবধূর মেয়েকেও মারধর করা হয়।

এই মারধরের পাশাপাশি বাড়িতেও ব্যাপক ভাঙচুর চালায় মদ্যপরা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন নিগৃহীতারা। নরেন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউই গ্রেফতার হয়নি। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে এই ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।

বন্ধ করুন