বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই সরাসরি বামেদের জোটবার্তা দিলেন অধীর
Kolkata: Congress MP Adhir Ranjan Chowdhury being greeted by party workers after he was appointed as West Bengal Pradesh Congress Committee President, at WBPCC office in Kolkata, Thursday, Sept. 10, 2020. (PTI Photo)(PTI10-09-2020_000110B) (PTI)
Kolkata: Congress MP Adhir Ranjan Chowdhury being greeted by party workers after he was appointed as West Bengal Pradesh Congress Committee President, at WBPCC office in Kolkata, Thursday, Sept. 10, 2020. (PTI Photo)(PTI10-09-2020_000110B) (PTI)

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই সরাসরি বামেদের জোটবার্তা দিলেন অধীর

  • নবনিযুক্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘আমাদের মনে হয় বামেরা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই ফের একবার কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছে তারা।

প্রত্যাশামতো প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব পেতেই বামেদের হাত ধরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। বুধবার রাতে তাঁকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব দেয় AICC. বৃহস্পতিবার প্রদেশ কংগ্রেস দফতর বিধান ভবনে এসে অধীরবাবু দায়িত্ব বুঝে নেন। তাঁকে সংবর্ধনা জানান কংগ্রেস কর্মীরা। এর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সেখানেই সরাসরি বামেদের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। 

অধীরবাবু বলেন, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে বোঝাপড়া করে লড়াই করেছিল বামেরা। কিন্তু তার পর তাদের মনে হয়েছে আশানুরুপ ফল হয়নি তাদের। ফলে লোকসভা নির্বাচনে একা লড়ার সিদ্ধান্ত নেয় বামেরা। কিন্তু কংগ্রেস তার অবস্থান থেকে সরেনি। 

এর পর নবনিযুক্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘আমাদের মনে হয় বামেরা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাই ফের একবার কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছে তারা। আশা করব আগামীতে নির্বাচনে বাম কংগ্রেস জোট করে স্বৈরাচারি তৃণমূলকে জোর টক্কর দেবে।’

বলে রাখি, গত ৩০ জুলাই প্রয়াত হন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। তার পর থেকে খালি ছিল এই পদ। নানা নাম নিয়ে জল্পনা হলেও শেষ পর্যন্ত গান্ধী পরিবারের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতার নিরিখে বাজিমাত করলেন অধীর। সঙ্গে অধীরকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড বুঝিয়ে দিল, মমতাকে খুশি রাখার রাজনীতি আর করতে চান না তাঁরা। 

 

বন্ধ করুন