বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > সদস্য সংগ্রহে ধাক্কা, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে সরছেন অধীর?
অধীররঞ্জন চৌধুরী ( ছবি এএনআই) (Saikat Paul)

সদস্য সংগ্রহে ধাক্কা, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে সরছেন অধীর?

  • ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোতে চাইছে কংগ্রেস। তাই দেশজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামা হয়েছে। এই সদস্য সংগ্রহের সময়সীমা ছিল ১৫ এপ্রিল। তা পেরিয়ে গিয়েছে। সেখানে বাংলা বাদে বাকি সমস্ত রাজ্যে সবমিলিয়ে অন্তত ২০ লক্ষ সদস্য নতুন হয়েছেন।

নিদান দেওয়া হয়েছিল সদস্য সংগ্রহ করতে। তার জন্য একটি লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিয়েছিল কংগ্রেস হাইকমান্ড। আর সেই লক্ষ্যমাত্রা থেকে বহুদূরে হোঁচট খেয়ে পড়ল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। ধারেকাছেও পৌঁছতে পারল না। ফলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল। স্বাভাবিকভাবেই অধীররঞ্জন চৌধুরীর প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদ খোয়া যেতে পারে বলে সূত্রের খবর।

কতটা ব্যর্থ হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস?‌ বিধান ভবন সূত্রে খবর, সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নেমে চরম ব্যর্থ হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বরা। বঙ্গের কংগ্রেস নেতৃত্ব ডাহা ফেল করল বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ রাজ্যজুড়ে সদস্য সংগ্রহ করার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা অর্ধেকও পৌঁছনো সম্ভব হয়নি। তাই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে অধীর চৌধুরীর থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। হাইকম্যান্ডের পক্ষ থেকে তিন মাসের সময় দেওয়া হয়েছে অধীরকে।

কী পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে কংগ্রেসে?‌ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোতে চাইছে কংগ্রেস। তাই দেশজুড়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামা হয়েছে। এই সদস্য সংগ্রহের সময়সীমা ছিল ১৫ এপ্রিল। তা পেরিয়ে গিয়েছে। সেখানে বাংলা বাদে বাকি সমস্ত রাজ্যে সবমিলিয়ে অন্তত ২০ লক্ষ সদস্য নতুন হয়েছেন। নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, রাজ্যে যত বুথ রয়েছে তার অর্ধেক বুথে অন্তত ২৫ জন করে সদস্য করতে হবে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ৮০ হাজার নতুন বুথ রয়েছে। তার অর্ধেক বুঝতে অন্তত ২৫ জন করে সদস্য করাতে হলে পশ্চিমবঙ্গে ১০ লক্ষ নতুন সদস্য হওয়া উচিত ছিল। যার ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেনি প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

ঠিক কী খবর পাওয়া যাচ্ছে?‌ নয়াদিল্লির কংগ্রেস সূত্রে খবর, এই অবস্থা দেখে অধীর চৌধুরীর সঙ্গে সোনিয়া ও রাহুল গান্ধী আলোচনা করেছেন। এমনকী একসঙ্গে দুটি পদ সামলাতে অসুবিধা হচ্ছে কিনা তাও জিজ্ঞাসা করা হয় বহরমপুরের সাংসদকে। সমস্যা হলে কোনও একটি দায়িত্ব স্বেচ্ছায় ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অবশেষে আগামী তিন মাসের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে বলা হয়েছে।

বন্ধ করুন