বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > মমতার ফোনেই গলল বরফ, বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করানোয় স্পিকারকে অনুমতি রাজ্যপালের
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জগদীপ ধনখড়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জগদীপ ধনখড়। (ফাইল ছবি, সৌজন্য সমীর জানা/হিন্দুস্তান টাইমস)

মমতার ফোনেই গলল বরফ, বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করানোয় স্পিকারকে অনুমতি রাজ্যপালের

ভবানীপুর উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিধায়ক হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

‌খড়দহ, দিনহাটা, গোসাবা ও শান্তিপুরে সদ্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ই। প্রথমে রাজভবনের তরফে জানানো হয়েছিল, সদ্য নির্বাচিত বিধানসভার চার সদস্যকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন ডেপুটি স্পিকার। এরপর রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথার পরই সিদ্ধান্ত বদলান রাজ্যপাল। সূত্র মারফত এমনই খবর মিলেছে।  যদিও বিষয়টি নিয়ে রাজভবনের তরফে কেউ মন্তব্য করতে চাননি।

সংবিধান অনুযায়ী, বিধানসভায় নব নির্বাচিত সদস্যদের সাধারণত শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। তবে সংবিধানে এই কথাও বলা আছে, রাজ্যপাল চাইলে শপথবাক্য পাঠ করানোর দায়িত্ব অন্য কারও হাতেও তুলে দিতে পারেন। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, সেইমতো শপথবাক্য পাঠ করাবেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে রাজভবনের তরফে জানানো হয়, ডেপুটি স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করাবেন। অর্থাৎ ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠ করানোর ভার দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

এই বিষয়ে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, 'রাজ্যপাল শপথবাক্য পাঠ করাচ্ছেন না। কীভাবে হবে কোথায় হবে, তা আমরা নিজেরা ঠিক করে নেব। ইতিমধ্যে পরিষদীয় দফতরের সঙ্গে রাজভবনের চিঠিচাপাটিও শুরু হয়েছে। রাজ্যপাল যাতে বিষয়টি বিবেচনা করে দেখেন, সেই বিষয়টি জানানো হয়েছে।'

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কিছুদিন আগে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছিল বিধানসভার স্পিকারকে। সেই কারণেই হয়ত এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, ভবানীপুর উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিধায়ক হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সেইসময় রাজভবন থেকে বিধানসভা সচিবালয়ে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল, অধ্যক্ষকে শপথবাক্য পাঠ করানোর যে অধিকার রাজ্যপাল দিয়েছে, তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হল।

বন্ধ করুন