বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘‌অর্থ–নারীচক্র থেকে দলকে বার করা অত্যাবশ্যক’‌, বিস্ফোরক টুইট তথাগতের
তথাগত রায়। ফাইল ছবি
তথাগত রায়। ফাইল ছবি

‘‌অর্থ–নারীচক্র থেকে দলকে বার করা অত্যাবশ্যক’‌, বিস্ফোরক টুইট তথাগতের

  • তবে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর ভরসা রেখেছেন তিনি।

সদ্য তাঁকে দল ছেড়ে দেওয়ার নিদান দিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ–সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার প্রেক্ষিতে তোপ দেগেছিলেন প্রাক্তন মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথাগত রায়। তিনি যে দলের ভুলগুলি তুলে ধরবেন সেটাও বলে রেখেছিলেন। সুতরাং বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব বুঝতে পারছিল আরও অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে। আর তাই হল। এবার বিস্ফোরক টুইট করে কার্যত তিনি কাত করে দিলেন রাজ্য বিজেপি নেতাদের। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষে তিনি যে দমে যাননি, তার প্রমাণ মিলল এই টুইটের ধারায়। তবে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর ভরসা রেখেছেন তিনি।

এবার তিনি টুইটে বিজেপি নেতাদের সরাসরি তোপ দেগেছেন। সেখানে অর্থ ও নারী চক্রে জড়িয়ে থাকা দলকে মুক্ত করার আহ্বান করেছেন। আর তাতেই রাজ্য–রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কারা এইসব নেতা?‌ বিজেপিতে নারী চক্র হয়?‌ এমন সব প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে তিনি এখানে কারও নাম নেননি। তাই কৌতুহল আরও বেড়েছে।

ঠিক কী লিখেছেন তথাগত রায়?‌ এদিন টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘বেকারি, দলবাজি, তোলাবাজি, খুনখারাপি, সংখ্যালঘু তোষণ ইত্যাদি সমস্যায় মানুষ পর্যুদস্ত হয়ে বিজেপিকে চাইছিলেন। তা সত্ত্বেও বিজেপি কেন এরকম শোচনীয় ফল করল তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কারা এর জন্য দায়ী তাও চিহ্নিত করতে হবে। আগেই করা উচিত ছিল, এখনও হতে পারে। কিন্তু এড়িয়ে গেলে চলবে না।’‌ এই টুইট প্রথম করে তিনি রাজ্য নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেন।

তারপরেই তিনি বিস্ফোরক টুইটটি করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‌৩ থেকে ৭৭ (এখন ৭০) গোছের আবোলতাবোল বুলিতে পার্টি পিছোবে, এগোবে না। অর্থ এবং নারীর চক্র থেকে দলকে টেনে বার করা অত্যাবশ্যক। দলের নবনিযুক্ত সভাপতি ও বিরোধী দলনেতা—এঁরা দু’‌জনে নেতৃত্ব দিন। পুরনো চক্রে ফেঁসে থাকলে এখন যে পুরভোটের প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না এরকম অবস্থাই চলবে।’‌ এখানে নাম না করলেও দিলীপ ঘোষ এবং কোম্পানিকেই নিশানা করেছেন তিনি। আবার রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে ডিভাইড অ্যান্ড রুল পলিসি করতে চাইছেন বলে মনে করছেন দিলীপ ঘোষের গোষ্ঠী। তবে এই টুইট নিঃসন্দেহে অস্বস্তি বাড়িয়েছে বিজেপির।

বন্ধ করুন