বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > হোর্ডিং,পতাকা ছিঁড়ে ফেলে মানুষের মনে জায়গা করা যাবে না, দাবি বিজেপি প্রার্থীর
বিজেপি প্রার্থীর হোর্ডিং,পতাকা ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ। ছবিটি প্রতীকী। (HT_PRINT)
বিজেপি প্রার্থীর হোর্ডিং,পতাকা ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ। ছবিটি প্রতীকী। (HT_PRINT)

হোর্ডিং,পতাকা ছিঁড়ে ফেলে মানুষের মনে জায়গা করা যাবে না, দাবি বিজেপি প্রার্থীর

  • এবার ফের বিজেপি প্রার্থীর হোর্ডিং, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠল। বেহালার ১২০ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির হোর্ডিং, পতাকা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

পুরভোটের দিন এগিয়ে আসতেই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের সরগরম হয়ে উঠছে কলকাতা। হোর্ডিং, পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া, আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া, ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া , প্রার্থীকে খুনের হুমকি অভিযোগ প্রায়ই উঠে আসছে। এবার ফের বিজেপি প্রার্থীর হোর্ডিং, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠল। বেহালার ১২০ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির হোর্ডিং, পতাকা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এর আগের দিনই বেহালার ১২১ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থীর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল।

১২০ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির হয়ে লড়ছেন প্রার্থী উজ্জল বড়াল। হোর্ডিং, পতাকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী। এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি।

তাঁর অভিযোগ, 'সাধারণ মানুষ আর তৃণমূলের পক্ষে নেই। ওয়ার্ডের লোকেদের মুখেই তৃণমূলের বিপক্ষে কথা বলতে শোনা যাচ্ছে। ফলে হাওয়া কোন দিকে বইছে তা ভালোমতোই বুঝতে পেরেছে তৃণমূল। সেই কারণে তারা ভয় পাচ্ছে। 'রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে ফেলেছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর দাবি, 'এসব করে মানুষের মনে জায়গা পাওয়া যাবে না। '

যদিও এই ঘটনার কথা অস্বীকার করেছে তৃণমূল। এই ওয়ার্ডে ২০১০ এবং ২০১৫ সালে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ। ফলে গত ১০ বছর ধরে তৃণমূলের দখলে রয়েছে এই ওয়ার্ডটি। ওয়ার্ড দখলের লড়াইয়ে মরিয়া সমস্ত রাজনৈতিক দল।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই পাশের ১২১ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থীর পোস্টার ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেইসঙ্গে হোর্ডিং, পোস্টার পুড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনাতেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন সিপিএম প্রার্থী।

বন্ধ করুন