বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > গলার মাদুলি গিলে ফেলেছিল শিশু! ফুসফুসে আটকে গিয়ে কাশি, বের হল SSKM-এ
এসএসকেএম হাসপাতাল। ফাইল ছবি

গলার মাদুলি গিলে ফেলেছিল শিশু! ফুসফুসে আটকে গিয়ে কাশি, বের হল SSKM-এ

  • প্রথমে শিশুর পরিবারের সদস্যরা ভেবেছিলেন পায়খানার সঙ্গে হয়তো মাদুলিটি বেরিয়ে যাবে। তার জন্য তারা কয়েকদিন অপেক্ষাও করেছিলেন। গত ১৭ এপ্রিল এই ঘটনা ঘটেছিল। তার কিছুদিন পরে দেখা যায় শিশুর কাশি শুরু হয়।

খেলতে খেলতে গলার মাদুলি গিলে ফেলেছিল শিশু। ফুসফুসে মাদুলি আটকে যাওয়ায় শিশুর বেঁচে থাকা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন। অবশেষে চিকিৎসকদের তৎপরতায় মাদুলিটি ফুসফুস থেকে বের করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে সুস্থ রয়েছে ওই শিশু। এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসকদের তৎপরতায় প্রাণে বেঁচেছে শিশুটি। ব্রঙ্কোস্কোপি করে মাদুলি ফুসফুস থেকে বের করেছেন চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই শিশুর নাম ইন্দ্রানী। শিশুটির বাবা তপন রুদ্র জানান, তার গলায় মাদুলি ঝোলানো ছিল। খেলতে খেলতে কোনওভাবে মাদুলি মুখে নিয়ে গিলে ফেলেছিল। প্রথমে শিশুর পরিবারের সদস্যরা ভেবেছিলেন পায়খানার সঙ্গে হয়তো মাদুলিটি বেরিয়ে যাবে। তার জন্য তারা কয়েকদিন অপেক্ষাও করেছিলেন। গত ১৭ এপ্রিল এই ঘটনা ঘটেছিল। তার কিছুদিন পরে দেখা যায় শিশুর কাশি শুরু হয়। তখন তাকে আসানসোলে নিয়ে গিয়ে সিটিস্ক্যান করানো হয়। তাতে দেখা যায় শ্বাসনালীতে মাদুলি আটকে রয়েছে তড়িঘড়ি তারা শিশুকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। তখন সেখান থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে রেফার করা হয়।

রেফার রোগ বন্ধ করার জন্য সম্প্রতি রাজ্য সরকার পদক্ষেপ করেছে। সে ক্ষেত্রে কোনও হাসপাতালে রেফার করা হলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা করতে হবে। সেই নিয়ম মেনে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। সেই সঙ্গে একটি চিঠিও দেওয়া হয়। শিশুকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে গত ৩ মে টেলিস্কোপের মাধ্যমে ব্রঙ্কোস্কোপি করে ফুসফুস থেকে মাদুলি বের করা সম্ভব হয়। হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের টেলিস্কোপের সাহায্যে দেড় সেন্টিমিটার লম্বা মাদুলি বের করা সম্ভব হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। বর্তমানে ওই শিশু সুস্থ রয়েছে এবং তার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও স্বাভাবিক রয়েছে।

বন্ধ করুন