বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Anubrata Mondal: এনামুলের সঙ্গে প্রতি মাসে ২ কোটি টাকার চুক্তি ছিল অনুব্রতর, খবর CBI সূত্রে
গ্রেফতারির পর গাড়িতে তোলা হচ্ছে অনুব্রতকে।

Anubrata Mondal: এনামুলের সঙ্গে প্রতি মাসে ২ কোটি টাকার চুক্তি ছিল অনুব্রতর, খবর CBI সূত্রে

  • সেই টাকা থাকত সায়গল ও তাঁর আত্মীয়দের কাছে। সেই টাকার ভাগ পুলিশ প্রশাসনের একাংশেও পৌঁছত বলে দাবি। বাকি অংশ বিভিন্ন ভাবে বিনিয়োগ করতেন অনুব্রত। কখনও রাজনৈতিক কাজেও ব্যবহার হত। টাকার ভাগ পেতেন সায়গলও।

গরুপাচারকাণ্ডে বৃহস্পতিবার অনুব্রত মণ্ডলের নাটকীয় গ্রেফতারির পর প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিবিআই সূত্রে দাবি করা হয়েছে, গরুপাচারের প্রোটেকশন মানি বাবদ প্রতি মাসে ২ কোটি টাকা নিতেন অনুব্রত মণ্ডল। এনামুলের থেকে সায়গল হোসেন হয়ে সেই টাকা পৌঁছন অনুব্রতর কাছে। ২০১৫ সাল থেকে চলছিল এই কারবার। অনুব্রতকে হেফাজতে নিয়ে এবার এব্যাপারে বিস্তারিত জানতে উদ্যোগী হয়েছেন গোয়েন্দারা।

বৃহস্পতিহার বোলপুরের নীচপট্টির বাড়ি থেকে বীরভূম জেলা তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করেছে সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে দাবি, গরুপাচারকাণ্ডে গ্রেফতার ব্যবসায়ী এনামুল হক ও অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে জেরা করে এই কারবারে অনুব্রতর যোগ সম্পর্কে নিশ্চিত তারা। গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, ২০১৫ সালে ইলামবাজার হাট থেকে গরুপাচারের কারবার শুরু করে এনামুল হক। ইলামবাজার হাট থেকে গরু কিনে রামপুরহাট হয়ে মুর্শিদাবাদ সীমান্তে পৌঁছত গরু। সেখানে গরুর পালকে সীমান্ত পার করত দালাল। সেজন্য বিএসএফের সঙ্গেও ডিল করেছিল এনামুল। বীরভূমে দীর্ঘ রাস্তার ওপর দিয়ে গরু নিয়ে যেতে এনামুলের কাছে মাসে ২ কোটি টাকা করে প্রোটেকশন মানি দাবি করেন অনুব্রত। তবে প্রতি মাসে টাকা নিতেন না তিনি। তিন মাসের হিস্সা একসঙ্গে পৌঁছত অনুব্রতর কাছে।

অনুব্রত গ্রেফতার হতেই চড়াম চড়াম ঢাক ও টিন বাজিয়ে জেলায় জেলায় প্রচার বামেদের

তবে এনামুলের কাছ থেকে সরাসরি টাকা নিতেন না অনুব্রত। সেই টাকা থাকত সায়গল ও তাঁর আত্মীয়দের কাছে। সেই টাকার ভাগ পুলিশ প্রশাসনের একাংশেও পৌঁছত বলে দাবি। বাকি অংশ বিভিন্ন ভাবে বিনিয়োগ করতেন অনুব্রত। কখনও রাজনৈতিক কাজেও ব্যবহার হত। টাকার ভাগ পেতেন সায়গলও। এনামুল ও সায়গলকে জেরায় মোটের ওপর একই কথা বলেছেন বলে দাবি সিবিআইয়ের। ওদিকে বিরোধীদের দাবি, অনুব্রতর গরুপাচারের টাকা মুড়ির টিনে করে কলকাতায় পৌঁছত।

সিবিআই সূত্রে খবর, এনামুল নিজের উদ্যোগে গরুপাচারের ব্যবসা শুরু করেছিলেন, না কি অনুব্রতই তাঁকে এই ব্যবসায় লাগিয়েছিলেন তা জানতে চাইতে পারে সিবিআই। এনামুল নিজে থেকে ব্যবসা শুরু করে থাকলে কী করে তার সঙ্গে অনুব্রতর যোগাযোগ হল প্রশ্ন থাকতে পারে তা নিয়েও।

দিল্লি থেকে উদ্ধার ২০০০ কার্তুজ, স্বাধীনতা দিবসে নাশকতার ছক রাজধানীতে?

সিবিআই জানাচ্ছে, সায়গল হোসেনের ফোন থেকেই এনামুলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন অনুব্রত। তবে সেই ফোনের সিমটি সায়গলের নিজের নামে নয়। এক আত্মীয়ের নামে নথিভুক্ত সিম ব্যবহার করতেন সায়গল। সিবিআই জানিয়েছে, কল লিস্ট খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, এক বছরে দুজনের মধ্যে ৩০০ বার পর্যন্ত যোগাযোগ হয়েছে।

 

বন্ধ করুন