বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Anubrata Mondal: শুধু গরু পাচার নয়, জেলা পরিষদের টেন্ডার থেকে কাটমানি নিতেন অনুব্রত, জানাচ্ছে ED

Anubrata Mondal: শুধু গরু পাচার নয়, জেলা পরিষদের টেন্ডার থেকে কাটমানি নিতেন অনুব্রত, জানাচ্ছে ED

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অনুব্রত মণ্ডল। (ফাইল ছবি)

জেরায় ঠিকাদাররা আরও জানিয়েছেন ২০১১ সাল থেকেই এই কারবার চালু করেন অনুব্রত। তবে নিজে হাতে টাকা নিতেন না তিনি। টাকা নিতেন পার্টি ফান্ডে অনুদান হিসাবে। আর সেই টাকা সংগ্রহ করতেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন।

শুধু গরুপাচার নয়, সরকারি কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়ার জন্য কাটমানি নিতেন অনুব্রত মণ্ডল। জেলা পরিষদের কাজের বরাত পাইয়ে দিতে ১ থেকে ৫ শতাংশ কাটমানি নিতেন তিনি। তবে নিজে হাতে নয়, তাঁর হয়ে টাকা সংগ্রহ করতেন নিরাপত্তারক্ষী সায়গল হোসেন। অনুব্রতর বিরুদ্ধে দিল্লির আদালতে চার্জশিট পেশ করে এমনই দাবি করেছে ইডি।

চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, জেরায় একাধিক ঠিকাদার অনুব্রতকে কাটমানি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, জেলা পরিষদের কাজের ঠিকা পাইয়ে দিতে অনুব্রতকে ১ থেকে ৫ শতাংশ কাটমানি দিতে হয়েছে। যে কাজে লভ্যাংশ বেশি তার বেশি কাটমানি নিতেন কেষ্টদা। জেরায় ঠিকাদাররা আরও জানিয়েছেন ২০১১ সাল থেকেই এই কারবার চালু করেন অনুব্রত। তবে নিজে হাতে টাকা নিতেন না তিনি। টাকা নিতেন পার্টি ফান্ডে অনুদান হিসাবে। আর সেই টাকা সংগ্রহ করতেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। এমনকী কার কাছে কত বকেয়া সেই হিসাবও রাখতেন সায়গলই।

ইডির পেশ করা এই তথ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমরা এসব আগে থেকেই জানি। তবে কাটমানির হারটা আরও বেশি। তদন্ত হলে সব বেরোবে। আর এই টাকা কার কাছে যেত সেটা মানুষ জানতে চায়। ইডি সিবিআইয়ের সেদিকে নজর দেওয়া উচিত।

পালটা তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, অভিযোগ করলেই হবে না, প্রমাণ করতে হবে। আমরাও চাই দোষীদের সাজা হোক। কিন্তু এই দেখে ঘুষ দেওয়া ও নেওয়া দুইই অপরাধ। তাই যারা ঘুষ দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে সেটাও প্রকাশ্যে আসা প্রয়োজন।

 

বন্ধ করুন