বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > SSC Scam: রাজসাক্ষী হতে চেয়ে ইডি–কে লিখিত আবেদন অর্পিতার, এসএসসি দুর্নীতিতে নয়া মোড়
অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা।

SSC Scam: রাজসাক্ষী হতে চেয়ে ইডি–কে লিখিত আবেদন অর্পিতার, এসএসসি দুর্নীতিতে নয়া মোড়

  • ইডি চার্জশিটে আদালতকে জানিয়েছে, অর্পিতার নামে ৩১টি জীবন বিমা ছিল। যার প্রায় দেড় কোটি টাকা বার্ষিক প্রিমিয়াম। সেটা জমা দিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থের মোবাইলের ফরেনসিক পরীক্ষা করার পরে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়। মোবাইলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যেরও নাম পাওয়া গিয়েছে।

এসএসসি দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নেমে চার্জশিট দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (‌ইডি)‌। সেখানে নানা চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। সেই চার্জশিটেই ইডি দাবি করেছে, এই দুর্নীতি এবং আর্থিক লেনদেন নিয়ে যা অভিযোগ উঠেছে তাতে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় কার্যত রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন করেছেন। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই এখন জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তাহলে কি টাকার উৎস নিয়ে মুখ খুলবেন অর্পিতা?‌ উঠছে প্রশ্ন।

ঠিক কী দাবি করেছে ইডি? ইডি যে‌ চার্জশিট আদালতে পেশ করেছে সেখানে তাঁরা দাবি করেছেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর একাধিক কোম্পানিতে তাঁর শেয়ার অর্পিতার নামে হস্তান্তর করা হয়েছিল। সেটাও পার্থের ঘনিষ্ঠ এক হিসাবরক্ষক চাপ দিয়ে কাজটি করিয়েছিলেন। এটা ইডি–কে লিখিত বয়ানে জানিয়েছেন অর্পিতা। আবার সন্তান দত্তক নেওয়ার একটি সুপারিশপত্র মিলেছে। যে সুপারিশপত্রে পার্থের সই আছে। অর্পিতার দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ দিয়েছিলেন পার্থ।

ইডিকে পার্থ কী জানিয়েছেন?‌ ইডি সূত্রে খবর, দফায় দফায় জেরা করা হয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। এই বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ার দৌলতে কারও সুপারিশপত্রে স্বাক্ষর করা তাঁর পক্ষে স্বাভাবিক বিষয়। আবার অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৪৯.৮০ কোটি টাকা এবং পাঁচ কোটি টাকার গয়না মিলেছিল। এই বিষয়ে অর্পিতা জানিয়েছেন, এগুলি সবই পার্থের। ইডিকে লিখিত বয়ানে জানিয়েছেন অর্পিতা। শুধু তাই নয়, নেপাল, তাইল্যান্ড, বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর, হংকং, মালয়েশিয়া এবং আমেরিকার মুদ্রাও মিলেছে সেখান থেকে। যা নানা সময়ে নানা ব্যক্তি এসে রেখে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন অর্পিতা।

চার্জশিটে আর কী উল্লেখ করেছে ইডি?‌ ইডি চার্জশিটে আদালতকে জানিয়েছে, অর্পিতার নামে ৩১টি জীবন বিমা ছিল। যার প্রায় দেড় কোটি টাকা বার্ষিক প্রিমিয়াম। সেটা জমা দিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থের মোবাইলের ফরেনসিক পরীক্ষা করার পরে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়। সেখানে অর্থাৎ মোবাইলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যেরও নাম পাওয়া গিয়েছে। পার্থের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে পাওয়া একটি তথ্যে জানা গিয়েছে, মানিক যা তা ভাবে টাকা তুলেছেন।

বন্ধ করুন