বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > সাত ঘণ্টা পরেও অর্পিতার বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারলেন না ED-র আধিকারিকরা
পণ্ডিতিয়া রোডে এই ভবনেই রয়েছে অর্পিতার ফ্ল্যাট।

সাত ঘণ্টা পরেও অর্পিতার বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারলেন না ED-র আধিকারিকরা

  • ফ্ল্যাটটির মালিকের খোঁজ পেতে বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগ শুরু করেন ইডির গোয়েন্দারা। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, যেহেতু এই ফ্ল্যাট পার্থ বা অর্পিতার নামে নয় ফলে দরজা ভেঙে ঢোকার পর ভিতরে বেআইনি কিছু না পাওয়া গেলে তাদের আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে।

সাত ঘণ্টা পার হলেও বালিগঞ্জের পণ্ডিতিয়া রোডে অর্পিতার ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারলেন না ইডির আধিকারিকরা। মঙ্গলবার দুপুর থেকে ফোর্ট ওয়েসিস নামে ওই আবাসনের ব্লক ৬এর ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটের সামনে অপেক্ষা করছেন ইডির গোয়েন্দারা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ফ্ল্যাটি পার্থ চট্টোপাধ্যায় বা অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে নয়। তাই সেটির দরজা ভাঙতে পারছেন না তাঁরা।

মঙ্গলবার বেলা ১২.৩০ মিনিট নাগাদ পণ্ডিতিয়া রোডের ওই আবাসনে পৌঁছন ইডির গোয়েন্দারা। এর পর ওই ফ্ল্যাটের মালিকের খোঁজ শুরু করেন তাঁরা। আবাসনের কর্মী ও আধিকারিকরা জানান ফ্ল্যাটের মালিক স্বাতী ঝুনঝুনওয়ালা নামে এক মহিলা। কিন্তু তাঁকে কেউ কোনওদিন প্রত্যক্ষ করেননি। এমনকী ২০১২ সালে ওই ফ্ল্যাট কেনার পর থেকে ১০ বছরে তার রক্ষাণাবেক্ষণ বাবদ প্রদেয় অর্থ শোধ করা হয়নি। যার পরিমান ৫ লক্ষ টাকার বেশি। ওই ফ্ল্যাটের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের কাছে সমস্ত ফ্ল্যাট মালিকের ফোন নম্বর ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর রয়েছে। নম্বর নেই শুধু স্বাতী ঝুনঝুনওয়ালার।

উদয়ন গুহ–অভিষেক বন্দোপাধ্যায় আলাদা বৈঠক, মন্ত্রী হচ্ছেন দিনহাটার বিধায়ক?

এর পর ফ্ল্যাটটির মালিকের খোঁজ পেতে বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগ শুরু করেন ইডির গোয়েন্দারা। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, যেহেতু এই ফ্ল্যাট পার্থ বা অর্পিতার নামে নয় ফলে দরজা ভেঙে ঢোকার পর ভিতরে বেআইনি কিছু না পাওয়া গেলে তাদের আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। তাই ফ্ল্যাট মালিকের অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। বেলা ১২.৩০ মিনিট থেকে প্রায় ৭ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ফ্ল্যাটমালিকের দেখা পাননি তারা।

ইডি আধিকারিকদের অনুমান, টালিগঞ্জ ও বেলঘরিয়ার মতো এই ফ্ল্যাটেও টাকা থাকতে পারে। বিশেষ করে যে ভাবে ফ্ল্যাটের মালিক তথ্য গোপন করেছেন তাতে সেই আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে।

গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, ফ্ল্যাটটি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশে অর্পিতাকে ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন স্বাতী ঝুনঝুনওয়ালা। এই ব্যক্তির সঙ্গে পার্থবাবুর কী যোগাযোগ তাও জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মঙ্গলবার আদালতে পেশের আগে অর্পিতা মুখোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন উদ্ধার হওয়া টাকা তাঁর নয়। তাঁর অজান্তে ও অনুপস্থিতিতে ফ্ল্যাটে টাকা রাখা হয়েছে। এর আগে পার্থবাবুও ওই টাকা তাঁর নয় বলে দাবি করেছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বিরোধীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া টাকার মালিক তৃণমূল কংগ্রেস দল। ওদিকে তৃণমূলের দাবি, তদন্ত দ্রুত শেষ হোক। তাড়া তাড়ি বেরিয়ে আসুক আসল সত্য।

 

বন্ধ করুন