বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কাজ না করে বেতন নেবেন না, টুইট করে সরাসরি বিজেপিকে দুষলেন বাবুল সুপ্রিয়
বাবুল সুপ্রিয়। (Samir Jana/HT Photo)
বাবুল সুপ্রিয়। (Samir Jana/HT Photo)

কাজ না করে বেতন নেবেন না, টুইট করে সরাসরি বিজেপিকে দুষলেন বাবুল সুপ্রিয়

  • তবে আজ তিনি স্পট জানিয়ে দিয়েছেন, নৈতিকভাবে তিনি অন্যদের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছেন এবং আসানসোলের সাংসদপদ ত্যাগ করবেন।

বৃহস্পতিবার তিনি সাংসদ পদে ইস্তফা দেবেন। কারণ তিনি এখন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন। বৈঠক করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। তাই তিনি রাজনীতির জীবন যেখানে থামিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, সেখান থেকে সরে এসে কাজ করতে চাইছেন। আর সেই সুযোগ দিয়েছেন বাংলার নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হ্যাঁ, তিনি বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তবে আজ তিনি স্পট জানিয়ে দিয়েছেন, নৈতিকভাবে তিনি অন্যদের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছেন এবং আসানসোলের সাংসদপদ ত্যাগ করবেন।

এখন তিনিই বেশ চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছেন। হঠাৎ তাঁর এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বিজেপির অন্দরেও অস্বস্তি রয়েছে। তাই তো কলকাতায় পা রেখে নয়া রাজ্য সভাপতি বলেছিলেন, ‘‌বাবুল সুপ্রিয় দলে থাকলে ভাল হতো।’‌ শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বাবুল জননেতা নন। দলে কোনও প্রভাব পড়বে না। আর বাবুল নিজেকে ব্যাখ্যা করেছেন, অগস্ট মাসেই কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম আমার কোন নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, বাবুল সুপ্রিয়র নিরাপত্তা কমানোর কথা বলা হয়েছিল। এসব কথার কোনও যুক্তি নেই বলে দাবি করেন বাবুল নিজে।

তবে তিনি বারবার বলেছেন, আগেও তিনি কাজ করতে চেয়েছিলেন। এখনও তিনি মানুষের জন্য কাজ করতে চান। কারণ সেটাই তিনি করতে ভালোবাসেন। মানুষের জীবনের সমস্যা সমাধানে তিনি আগ্রহী। কিন্তু বিজেপিতে তার কাজের দাম দেয়নি কেউ। বরং মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর তিনিই দ্বিতীয়বার আসানসোল থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। মানুষের জন্য কাজ করার জন্যই সেটা সম্ভব হয়েছে। এমনকী প্রথমবারের তুলনায় বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন দ্বিতীয়বার।

বুধবার একটি টুইট করেছেন বাবুল সুপ্রিয়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। সেখানে গুজরাতের মন্ত্রীদের নিদর্শন তুলে ধরে তিনি বলেছেন, পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার আগে তাঁরা যা কাজ করেছেন তার থেকে অনেক বেশি কাজ করেছেন তিনি। সেই প্রমাণও আছে। বাংলায় তার রাজনৈতিক যুদ্ধের সব নিদর্শন লোকচক্ষুর সামনেই রয়েছে। এই টুইটে তিনি মনে করিয়ে দেন, তিনি চুপ করে বসে থাকতে রাজি নন। কোন কাজ না করে মানুষের টাকা বেতন হিসেবে নেবেন না। এমনকী সাংসদের জন্য নির্ধারিত কোনও সুযোগ–সুবিধাও তিনি নেবেন না।

বন্ধ করুন