বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > দেশের মধ্যে শীর্ষে ‘‌বাংলার বাড়ি’‌ প্রকল্প, শংসাপত্র দিয়ে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার
প্রশংসিত হল রাজ্যের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প। ছবি সৌজন্য–এএনআই।
প্রশংসিত হল রাজ্যের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প। ছবি সৌজন্য–এএনআই।

দেশের মধ্যে শীর্ষে ‘‌বাংলার বাড়ি’‌ প্রকল্প, শংসাপত্র দিয়ে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার

  • এবার প্রশংসিত হল রাজ্যের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প। এবার এই প্রকল্পের প্রশংসায় ভরিয়ে দিল কেন্দ্র।

বেশ কয়েকবার রাজ্যের নানা কাজ কেন্দ্রীয় সরকারের স্বীকৃতি পেয়েছে। পঞ্চায়েত থেকে ১০০ দিনের কাজে কেন্দ্রকে সেই সাফল্যের শংসাপত্র দিতে হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। এবার প্রশংসিত হল রাজ্যের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প। এবার এই প্রকল্পের প্রশংসায় ভরিয়ে দিল কেন্দ্র। সূত্রের খবর, এই মর্মে নবান্নে চিঠি পাঠিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রক। যেসব বিজেপি নেতারা রাজ্যের কাজ নিয়ে সমালোচনা করেন তাঁদের কাছেও বার্তা পৌঁছে গেল।

এদিকে নাগরিক পরিষেবায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক প্রকল্প চালু করেছেন। কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, বাংলার বাড়ি, উৎকর্ষ বাংলা, স্বাস্থ্যসাথী এখন ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে। শহরাঞ্চলে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পটি সমাজে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষজনের মাথার উপর ছাদ তৈরি করে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে চালু হয়েছিল। আর গ্রামাঞ্চলে এই কাজই চলছে ‘বাংলা আবাস যোজনা’ নামের প্রকল্পের অধীনে।

অন্যদিকে জানা গিয়েছে, ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে দেড় লক্ষ বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বাড়ি তৈরির খরচ ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। যার মধ্যে ৬৭ শতাংশ টাকাই দেয় রাজ্য সরকার। বাকিটা দিতে হয় সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিককে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরকে। এই প্রকল্পের লোগোও এঁকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে।

নগরোন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রে খবর, বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের এই প্রকল্পটি অনেক এগিয়ে রয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের থেকে ‘এগিয়ে বাংলা’। এই প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আরও বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর মতে, কেন্দ্রের ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ প্রকল্পের তুলনায় অনেক ভাল রাজ্যের এই প্রকল্প।

বন্ধ করুন